শিক্ষার্থীশূন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধুই পাখির রাজত্ব

|

প্রতিবছরের মতো এবারের শীতেও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিথি পাখির সমারোহ। সাধারণত প্রতি নভেম্বরে যত পাখি আসে তার চেয়ে এবার পাখির সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণ। করোনার কারণে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় পাখির সংখ্যা বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জনমানবশূন্য ক্যাম্পাসে দূর দেশের এই পাখির আয়েশি বিচরণের খবর জানাচ্ছেন আতিকুর রহমান তমাল।

শিশির ভেজা শীতের সকাল। সূর্যিমামা একটু বেলা করেই আড়মোড়ো ভাঙেন কিন্তু ততক্ষণে পাখির কলতানে মুখরিত জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাস। শীতকালে এখানে মানুষের ঘুম ভাঙে পাখির ডাকে। তবে এবার করোনার কারনে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীশূন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধুই পাখির রাজত্ব। লেকের জলে কুয়াশার সঙ্গে শাপলা শালুকের লুকোচুরি আর পাখির জলকেলি এ এক অন্যরকম আবহ নিয়ে ধরা দেয়।

যান্ত্রিক তাড়া খাওয়া নাগরিক মানুষ একটু হাফ ছেড়ে বাঁচতে এই ক্যাম্পাসে ভিড় করেন। তবে এবারের শীতে আপনাকে স্বাগত জানানো সম্ভব নয়, কারণ এবার হচ্ছে না পাখি মেলা।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান বলেন, স্থানীয় ও পরিযায়ী পাখি মিলে এ পর্যন্ত আমরা ২০৬ প্রজাতির পাখি রেকর্ড করেছি। এর মধ্যে স্থানীয় ১৩০ প্রজাতির পাখি। বাকি ৭৬ প্রজাতি পরিযায়ী।

সাধারণত প্রতি নভেম্বরে যত পাখি আসে তার চেয়ে এবার পাখির সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণ। হিমালয়ের ওপারে সাইবেরিয়া মঙ্গলীয়াতে এসময়ের তুমুল তুষারপাতের কারণে পরিযায়ী পাখিরা শীত থেকে বাঁচতে ছুটে আসে নাতিশীতোষ্ণ এই বাংলায়।








Leave a reply