পড়ুন ভিন্ন ধর্মী এক কাঁঠালের কথা, নাম তার – চাম কাঁঠাল

|

আমি এলিজা বিনতে এলাহী। ঘুরে বেড়ানো আমার নেশা। দেশের আনাচে-কানাচে, বিদেশের পথে পথে ঘুরি আমি।

আজ গিয়েছিলাম ঢাকার কাছেই আশুলিয়ার বিরুলিয়াতে। ঘুরতে ঘুরতে চোখে পড়লো কাঁঠালের মত দেখতে একটি ফল, কিন্তু আকারে কাঁঠালের চেয়ে বেশ ছোট, হাতে মুঠোয় নেয়া যায়।

বিরুলিয়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি স্থানেই দেখলাম বিক্রেতারা আম, লিচু, কাঁঠালের সাথে এই চাম কাঁঠালও বিক্রি করছেন।

তাই আগ্রহ নিয়ে ফল বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলাম। এই ফলের নামও জানলাম। সেই সাথে তাদের একজন আমাকে এই ফলের গাছটিও চিনিয়ে দিলো। যে গাছে এই ফল ধরে তাকে বলা হয় চামল গাছ।

চামল গাছের কাঠ আগে গ্রামাঞ্চলে ঘর-বাড়ি তৈরীর কাজে ব্যবহৃত হতো। তবে এখন আর চামল গাছ চোখে পড়ে না বললেই চলে। গ্রামে বনাঞ্চল ধ্বংস হওয়ার ফলে কমে গেছে এই গাছ।

হয়তো ধীরে ধীরে করমচা, অড়বড়ই কিংবা অন্যান্য প্রায় হারিয়ে যাওয়া ফলের মত চাম কাঁঠালও রয়ে যাবে শুধু বইয়ের পাতায়।

পার্বত্য অঞ্চল ও সিলেটে কিছু কিছু চামল গাছ আজও চোখে পড়ে। তবে অঞ্চল ভেদে একে ভিন্ন ভিন্ন নামে ডাকা হয় যেমন – চাম্বল, চাপালিশ ইত্যাদি।

তবে আমার মনে পড়ছে ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ার ফলের বাজারেও এই ফল আমি দেখেছি। কিন্তু সেসময় জানা হয়নি এই চাম কাঁঠালের কথা।

চলুন এবার জানা যাক ফলটি খেতে কেমন। চাম কাঁঠালের ভেতরের কোষ গুলো অনেক ছোট। স্বাদে টক-মিষ্টি।

বলে রাখি আমি এই প্রথম চাম কাঁঠাল দেখলাম ও খেলাম, ভালোই লেগেছে। আপনারাও হাতের কাছে চাম কাঁঠাল পেলে খেয়ে দেখতে পারেন, আশা করি মজা পাবেন।

আজ এ পর্যন্তই, আবার কখনো লিখবো নতুন কোন ফুল, ফল কিংবা জায়গা নিয়ে।








Leave a reply