স্মার্টফোনে আসক্তি! কিভাবে দূর করবেন, জেনেনিন

|

এই আ্যডিকশনের শিকার হয়ে, এখন অন্যান্য কাজ ভুলেছে মানুষ। কিন্তু সব সমস্যারই সমাধান রয়েছে।

স্মার্টফোন ছাড়া এখন অধিকাংশ মানুষই চোখে অন্ধকার দেখেন। খুব কম সময়ে দূর-দূরান্তের খবর হাতের মুঠোয় এনে দেয় এই স্মার্টফোন। রাস্তা হারিয়ে ফেললে স্মার্টফোনই চিনিয়ে নিয়ে যায় গন্তব্যস্থল। এরকমই প্রচুর সুবিধা মানুষকে এনে দেয় স্মার্টফোন।

কিন্তু শুধুই কি সুবিধা? স্মার্টফোনের ব্যবহার যেভাবে বাড়ছে, তাতে অনেকেই স্মার্টফোন আ্যডিকশনে আক্রান্ত। এই আ্যডিকশনের শিকার হয়ে অন্যান্য কাজ ভুলেছে মানুষ। কিন্তু সব সমস্যারই সমাধান রয়েছে। তাই জেনে নিন স্মার্টফোনের নেশা থেকে মুক্তি পেতে গেলে কী করতে হবে?

১। অফিসে কাজ করার সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করতেই হয়। তাই কাজ হয়ে গেলে চেষ্টা করুন ফোনের আ্যপগুলির নোটিফিকেশন অফ করে রাখতে।

২। এরকম অনেক অ্যাপ রয়েছে, যেগুলির দ্বারা আপনি সীমিত পরিমাণ ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন। আপনার ফোনের পরিষেবায় যতই ডেটা থাকুক না কেন, এই আ্যপের মাধ্যমে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ ডেটাই আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। দিনে কতটা ডেটা ব্যবহার করবেন, তা আপনি নিজেই ঠিক করে নিতে পারবেন।

৩। যে মুহূর্তে বুঝবেন যে, আপনি স্মার্টফোন আ্যডিকশনের শিকার, সেই মুহূর্তেই যে আ্যপগুলি সবথেকে বেশি ব্যবহার করেন, সেগুলি ফোন থেকে আনইনস্টল করে দিন।

৪। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফোন দূরে রেখে শুতে যান। কোনও আ্যলার্ম দেওয়ার দরকার হলে ঘড়িতে দেন ।

৫। যতই ভালো অফার দিক না কেন টেলিকম কোম্পানি গুলো সেই অফারগুলি নেবেন না। কম ডেটা রিচার্জ করুন। এতে ডেটা শেষ হয়ে গেলে আপনি আর স্মার্টফোন নিয়ে বসে থাকবেন না।

৬। বাড়িতে ‘নো-ফোন এরিয়া’ তৈরি করুন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সময়ে, বা খাবার খাওয়ার সময়ে ফোন হাতের কাছ থেকে দূরে রাখুন।

৭। সব কথা চ্যাটে না বলে, ফোন করে কথা বলুন। এতে কম সময়ে তাড়াতাড়ি কাজ হবে।

৮। সোশ্যাল মিডিয়াতে কম পোস্ট করুন। এতে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার আ্যক্টিভিটি কম হবে। ফলে নোটিফিকেশনও কম আসবে।

৯। হাতে ঘড়ি পরার অভ্যাস রাখুন। এতে বার বার ফোন চেক করার প্রবণতা কমবে।








Leave a reply