ম্যালওয়্যার ব্যবহার করে স্মার্টফোন থেকে অর্থ চুরি

|

ম্যালওয়্যার দিয়ে বিভিন্ন দেশের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মোবাইল সিকিউরিটি নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান সিকিউর-ডি এবং বাজফিড নিউজের অনুসন্ধানে কয়েকটি চীনা ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে—এমন প্রমাণ পাওয়ার কথা দাবি করা হচ্ছে। টেকনো এমন ম্যালওয়্যার দিয়ে দরিদ্র দেশগুলোর ব্যবহারকারীদের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে কি না—এমন প্রশ্ন করলে ট্র্যানশানের এক মুখপাত্র বাজফিড নিউজকে বলেছেন, তাঁরাও দুটি ম্যালওয়্যারের অস্তিত্ব টেকনো ডাব্লিউ২ হ্যান্ডসেটে পেয়েছেন। তবে ট্র্যানশান এমন ম্যালওয়্যার ইনস্টল করেনি দাবি করে তিনি জানিয়েছেন, এটি তৃতীয় পক্ষের কারো কাজ হতে পারে। ওই মুখপাত্র দাবি করেন, তাঁরা সব সময় গ্রাহকদের ডাটা সুরক্ষার জন্য কাজ করেন। তাই এমন কাজ তাঁরা করতেই পারেন না।

তবে ঠিক কত পরিমাণ ডিভাইসে এমন ম্যালওয়্যার দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে তার কোনো হিসাব দেয়নি চীনা প্রতিষ্ঠান ট্র্যানশান। সিকিউর-ডি জানিয়েছে, টেকনোর এমন কাজ শুধু দক্ষিণ আফ্রিকায় নয়। এমন ঘটনার প্রমাণ মিলেছে ইথিওপিয়া, ক্যামেরুন, মিসর, ঘানা, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়াতেও। ট্র্যানশান শুধু আফ্রিকার ৪ শতাংশ ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট থেকে এমন অর্থ সরিয়েছে এবং ১৮ শতাংশের বেশি ক্লিক করা ব্যবহারকারীরা এর হুমকিতে রয়েছে উল্লেখ করে সিকিউর-ডি। ট্র্যানশান বাংলাদেশ জানিয়েছে, অনুসন্ধানের পর এটা জানা গেছে, ট্রিডা পুরনো ও বিশ্বব্যাপী সমাধানকৃত একটা সিকিউরিটি ইস্যু, যা ২০১৮ সালের ২০ মার্চ গ্রাহকদের জন্য ডাব্লিউ২ সিকিউরিটি আপডেটের মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। টেকনো ট্রিডা ইস্যুটি তারও আগে ১ মার্চ ২০১৮ সালে শনাক্ত করে। সিকিউর-ডি বলছে, ২০১৯ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তারা আট লাখ ৪৪ হাজার এমন অবৈধ লেনদেন আটকে দেয়, যার জন্য ট্র্যানশানের প্রি-ইনস্টল করা ম্যালওয়্যারগুলো জড়িত ছিল। সিকিউর-ডির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জেফ্রি ক্লিভেস বাজফিড নিউজকে বলেছেন, ওই ব্যবহারকারী শুধু সাবক্রিপশনের বিষয়ে জানতে চেয়েছিল। এর পরই তা সাবক্রিপশন হয়ে গেছে। সূত্র : দ্য সাউথ আফ্রিকান।








Leave a reply