সভাপতি পদে প্রার্থিতা প্রত্যাহার বাদল রায়ের

|

শনিবার সকাল থেকেই গুঞ্জন ছিল সাবেক তারকা ফুটবলার বাদল রায় বাফুফের সভাপতি পদ থেকে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেবেন। কিন্তু প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়সীমা বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত তিনি আসেননি। বাফুফে ভবন থেকে সাংবাদিকেরা যাওয়ার মুহুর্তে হঠাৎ করেই খবর এলো বাদলের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের চিঠি নিয়ে আসছেন তার স্ত্রী মাধুরী রায়। শেষ পর্যন্ত প্রায় সন্ধ্যার সময়, ৬টার দিকে মাধুরী রায় এসে নির্বাচন থেকে বাদলের সরে দাঁড়ানোর চিঠি জমাও দেন।

আগামী ৩ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় বাফুফের নির্বাচনে বাদল নেই। আপাতত নির্বাচনী ময়দানে বর্তমান সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থেকে গেলেন আরেক সাবেক ফুটবলার ও কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক।

বাদল অবশ্য বলেছেন, ‘আমার শারীরিক অবস্থা ভালো না। নির্বাচন থেকে সরে দাড়াচ্ছি আমি।’

মাধুরী রায় তার স্বামীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের চিঠি নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘ফুটবলের জন্য ও (বাদল) কাজ করতে চেয়েছিল। কিন্তু এখন দেখছি তার শরীর আসলে ভালো যাচ্ছে না। স্বাস্থ্যের অনেক অবনতি হয়েছে। কথা বলতে খুব কষ্ট হচ্ছে। আমার পরিবার, আমার ছেলে-মেয়েসহ যারা শুভাকাঙ্ক্ষী আছে সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে সে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবে। সেই জন্যই প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে এসেছি।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে মাধুরী বলেন, ‘অন্য কোনও দিক দিয়ে কোনও চাপ ছিল না। নির্বাচন করতে গেলে অনেক চাপ আসবে। শারীরিক চাপ। ক্যাম্পিং করতে হলে লোকজনের সঙ্গে কথা বলা। নির্বাচন করতে গেলে ওর শরীর আরও খারাপ হতো। সেজন্য প্রত্যাহার করতে আসা। আর কোনও দিক থেকে চাপ আসছিল কি না তা জানি না।’

নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর প্রার্থিতা প্রত্যাহার প্রসঙ্গে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেছেন, ‘সাধারণত নির্ধারিত সময়ের পর কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলে ব্যালট পেপারে তার নাম থাকার কথা। তবে এ বিষয়ে আগামীকাল নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।’

প্রত্যাহারের শেষ দিনে অবশ্য আরও দুজন প্রার্থী সদস্য পদ থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এদের একজন জাকির হোসেন, অন্যজন সাইদুর রহমান মানিক।








Leave a reply