সব ফরমেটের জন্য প্রস্তুত মোস্তাফিজ

|

করোনার কারণে সময়ের সঙ্গে টাইগারদের অনুশীলনে এসেছে রদবদলের হাওয়া। এত দিন তামিমরা একা নিজদের ঝালিয়ে নিলেও গত রবিবার ১৬ ক্রিকেটার একসঙ্গে মিলে অনুশীলন করেছে। আজও এর ব্যতিক্রম হয়নি। মুমিনুল হক-তামিম ইকবালরা একসঙ্গে হোম অব ক্রিকেটে ভিনদেশি কোচিং স্টাফদের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন। মিরপুরে আজ বোলিং অনুশীলন শেষে মোস্তাফিজ জানিয়েছেন, শুধু ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিই নয়, টেস্টে ক্রিকেটেও এখন নিয়মিত হতে চাইছেন তিনি। তাই সব ফরমেটে খেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছেন কার্টার মাস্টার।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টাইগার দলের পেসার মোস্তাফিজের শুরুটা ছিল বীরের মতো। বিশ্বের অনেক তারকা ব্যাটসম্যানরা ফিজের কাটারে কুপোকাত হয়েছেন। তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত হতে পারেননি তিনি। ২০১৫ সালে টেস্ট অভিষেকের পর এই পর্যন্ত টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন ১৩টি। কিন্তু ওয়ানডে খেলেছেন ৫৮টি আর টি-টোয়েন্টি ৪১টি। এতে তার গায়ে রঙিন পোশাকের ক্রিকেটার এমন একটা তকমা সেঁটে গিয়েছিল।

সাদা পোশাকের ক্রিকেটে মোস্তাফিজকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল দেড় বছর আগে। ২০১৯ সালের মার্চে ওয়েলিংটনে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বল হাতে নেমেছিলেন কার্টার মাস্টার। এরপর আর সাদা পোশাকে খেলা হয়নি। কাঁধের অস্ত্রোপচারে বোলিং ছন্দ হারিয়ে ফেলায় ঘরের মাঠেও অনিয়মিত হয়ে উঠেছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদে গড়ানো আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ও চলতি বছরের শুরুতে মিরপুরে জিম্বাবুয়ে সিরিজেও ছিলেন দলের বাইরে। তবে এবার টেস্ট ক্রিকেটেও নিয়মিত হতে চান বাঁ-হাতি এই পেসার। আজ অনুশীলন শেষে মোস্তাফিজ বলেন, আমি তো চাই সব ফরমেটে খেলতে। এখন চেষ্টা করছি ফিটনেস বলেন, বোলিং, স্কিল বলেন কোন কাজগুলো করলে আমি সব ফরমেটে নিয়মিত হতে পারি সেগুলো করার।

গত মার্চে দেশে করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর আগে পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসন নতুন একটি গ্রিপ দেখিয়েছিলেন। সেটা তিনি বেশ মনোযোগ দিয়েই অনুসরণ করেছেন। ইদানীং বল ছাড়ার পর বোলিং হাত ঘুরে আসছে ডান কোমর পর্যন্ত। খুব ধারাবাহিক না হলেও ডান হাতিদের প্যাড ও স্টাম্প ধেয়ে আসতে শুরু করেছে কিছু বল। নেট অনুশীলনে এখন অহরহই ভেতরে বল ঢোকাতে পারছেন। এ বিষয় মোস্তাফিজ বলেন, করোনার আগে গিবসন আমাকে কিছু গ্রিপ দেখিয়ে দিয়েছিল যে, কী করলে বল ভেতরে ঢুকবে। ওটা নিয়ে কাজ করছিলাম, এখনো ভালো যাচ্ছে। আরো কাজ করতে হবে, ভালোভাবে কাজ করতে পারলে ভেতরে ঢোকানোটা তাড়াতাড়ি আয়ত্ত করতে পারব। তিনি আরো বলেন, আমি ঢাকায় অনুশীলন করতে আসছি এক মাস ৫ দিন হলো। প্রথমে শর্ট রান আপে, দুই-তিন স্টেপে বোলিং করেছি, বাড়িতেও করেছি। এখন সবকিছু ভালোই হচ্ছে।








Leave a reply