যে ভুলে সেমিতে খেলা হলো না টাইগারদের

|

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে এক টিভি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বেশ কয়েকটি ভুলের কথা জানিয়ে সাকিব আল হাসান বলেন, আমরা যথেষ্ট ভালো খেলেছি বটে; কিন্তু কেবল যথেষ্ট ভালোই আমরা খেলতে চাইনি। আমরা চেয়েছি জিততে। সেটা সম্ভব হয়নি। এত বড় টুর্নামেন্টে যে আশা নিয়ে আমরা এসেছিলাম তা পূরণ করতে পারলাম না, সেদিক থেকে হতাশাজনক। যদি ছোট ছোট কিছু জিনিস ঠিক করতে পারতাম, তাহলে হয়তো ফল ভিন্ন হত।

বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর ছুঁয়ে দেখা হলো না। ভারতের কাছে হেরে সেই স্বপ্নের সমাপ্তি ঘটেছে। শুধু যে ভারতের বিপক্ষে হারের কারণেই সেমির দৌড়ে ছিটকে পড়েছে তা কিন্তু নয়। পুরো আসরজুড়ে বেশ কয়েকটি ভুলের কারণে হাত ছাড়া হয়েছে সেমির স্বপ্ন।
যদি বড় এই তিন ভুলের সঙ্গে ছোট ছোট ভুলগুলো না করতো টাইগাররা, তাহলে নিশ্চিত ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ডের আগেই সেমিফাইনালে উঠে যেতে বাংলাদেশ

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে এক টিভি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বেশ কয়েকটি ভুলের কথা জানিয়ে সাকিব আল হাসান বলেন, আমরা যথেষ্ট ভালো খেলেছি বটে; কিন্তু কেবল যথেষ্ট ভালোই আমরা খেলতে চাইনি। আমরা চেয়েছি জিততে। সেটা সম্ভব হয়নি। এত বড় টুর্নামেন্টে যে আশা নিয়ে আমরা এসেছিলাম তা পূরণ করতে পারলাম না, সেদিক থেকে হতাশাজনক। যদি ছোট ছোট কিছু জিনিস ঠিক করতে পারতাম, তাহলে হয়তো ফল ভিন্ন হত।

সেমিফাইনালে খেলতে না পারার পেছনে ছোট ছোট নয়, তিনটি বড় ভুলই সবচেয়ে বেশি দায়ী।
প্রথম ভুল; নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ একেবারে শেষ মুহূর্তে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে গিয়েছিল মাত্র দুই উইকেটের ব্যবধানে। ২৪৪ রান করেও দারুণ লড়াই করেছিল টাইগাররা।

দ্বাদশ ওভারে সবে উইকেটে আসা রস টেলরের ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে বিপদে পড়েন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। মিড অফ থেকে তামিম ইকবালের থ্রো ধরে উইকেটরক্ষক মুশফিক যখন উইকেট ভেঙে দেন, তখনো পপিং ক্রিজের অনেক বাইরে উইলিয়ামসন।

কিন্তু উইকেটরক্ষক মুশফিক করে বসেন এক অমার্জনীয় ভুল। তামিমের করা থ্রোটি সরাসরি ছিল উইকেট বরাবরই। কিন্তু বাড়তি সতর্কতা নিতে গিয়ে স্ট্যাম্পের সামনে এসে বল ধরে উইকেট ভাঙতে যান মুশফিক। ঠিক তখন তার হাতে লেগে আগেই পড়ে যায় বেলস। যে কারণে আর আউট হলেন না উইলিয়ামসন। শেষ পর্যন্ত তিনি করেন ৪০ রান।

দ্বিতীয় ভুল; অসিদের করা ৩৮১ রানের বিশাল টার্গেট সেদিন তাড়া করতে নেমেছিল বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত অবশ্য বাংলাদেশ করেছিল রেকর্ড ৩৩৩ রান। ওই ম্যাচে ডেভিড ওয়ার্নার ১০ রানের মাথায় যে জীবন পেয়েছিলেন সাব্বির রহমানের কল্যাণে। এরপর ডেভিড ওয়ার্নার ১৫৬ রানের ঝকঝকে এক ইংনিস খেলেন। ১০ রানে ফিরে গেলে সেদিন জিততে পারতো বাংলাদেশ।

তৃতীয় ভুল; এজবাস্টনে বাঁচা-মরার ম্যাচে রোহিতে ক্যাচ ফেলে দেন তামিম। ইনিংসের পঞ্চম ওভারেই ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। ওই সময় তিনি ছিলেন ১০ রানে। মোস্তাফিজুর রহমানের শর্ট ডেলিভারিটি স্কয়ার লেগের দিকে উড়িয়ে মেরেছিলেন রোহিত। সেখানে ফিল্ডার ছিলেন তামিম ইকবাল। দৌড়ে গিয়ে সেটি একদম হাতেও পেয়ে গিয়েছিলেন; কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাতে আর রাখতে পারেননি। ফেলে দেন ক্যাচটি। এরপর রোহিত সেদিন ১০৪ রান করে আউট হন। বাংলাদেশ হারে মাত্র ২৮ রানে।








Leave a reply