”ভারতের কোহলিকে নিয়ে এত আলোচনা! পাকিস্তানের বাবরকে নিয়ে তো হয় না!”

|

বিরাট কোহলি, কেন উইলিয়ামসন, জো রুট ও স্টিভ স্মিথ। আধুনিক ক্রিকেটের এই ‘ফ্যাবুলাস ফোর’-কে নিয়েই যত আলোচনা। সেরা চার ব্যাটসম্যানের এই বৃত্তে প্রবেশ করার মতো আর কেউ কি আছেন! ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার ও বর্তমান ধারাভাষ্যকার দাবি করেছেন, এই ‘ফ্যাবুলাস ফোর’তুলে দেওয়া হোক। তার বদলে করা হোক ফ্যাবুলাস ফাইভ। আর সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হোক পাকিস্তানের প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান বাবর আজমকে। নাসির হুসেন এখন বাবর আজমের খেলা দেখে মুগ্ধ। তিনি বলেই দিলেন, বাবর আজম বিশ্বের অন্যতম সেরা হওয়ার প্রতিভা রাখে। তবে তাঁকে নিয়ে মাতামাতি নেই। যতটা ভারতের কোহলিকে নিয়ে আছে।

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম টেস্টে বাবর আজম ভাল পারফর্ম করেছেন। ১০০ বলে ৬৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন তিনি। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে পাকিস্তান প্রথম দিনে দুউইকেটে ১৩৯ রান তুলেছে। শান মাসুদ করেছেন ৪৬ রান। বাবর ও মাসুদ মিলে ৯৬ রানের ইনিংস খেলেছেন। বাবরের প্লেয়িং স্টাইল, শট সিলেকশন দেখে আপ্লুত নাসির হুসেন। তিনি বলেছেন, ”বিরাট কোহলি যদি এই ইনিংস খেলতে তা হলে এতক্ষণে ওকে নিয়ে মাতামাতি শুরু হয়ে যেত। কিন্তু বাবরের বেলা সেসব হচ্ছে না। ২০১৮ থেকে টেস্টে বাবরের গড় ৬৮। ওয়ানডে ক্রিকেটে ৫৫। ওর বয়স কম। এখনও অনেকদিন খেলবে। ও কোহলি, রুট, উইলিয়ামসনদের সঙ্গে এক সারিতে থাকতে পারে। তবে মিডিয়া যেন বাবরের প্রশংসা করতে কার্পণ্য করছে।”

পাকিস্তান ঘরের মাঠে খেলতে পারে না বলে নাসির হুসেন দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এমনকী তিনি বলেছেন, ”আমার মনে হয় উপমহাদেশীয় দেশ হিসাবে পাকিস্তান সব সময় ভারতের ছায়ায় ঢেকে যায়। পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা আইপিএলে খেলতে পারে না। এমনকী ভারতের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগও তারা পায় না। পাকিস্তানের ক্রিকেট দল তেমন প্রচার পায় না। ফলে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের নিয়ে মাতামাতি হয় না। ওদের হোম সিরিজ খেলতে হয় আরব আমিরশাহীতে। আর সেসব সিরিজ হয় কার্যত দরজা বন্ধ করে। ফলে সেসব সিরিজ প্রচারের আলো দেখে না। এটা দুর্ভাগ্যজনক। ঘরের মাঠে খেলতে না পারাটা ওদের উপর প্রভাব ফেলে নিশ্চয়ই।”








Leave a reply