ধোনির ‘সিঙ্ঘম’ লুক দেখে ঘায়েল বলিউড অভিনেত্রী, করলেন রোমান্স ভরা টুইট

|

সেই বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল তারপর দীর্ঘ 14 মাস কোন প্রকার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলেন নি বিশ্বকাপজয়ী ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি (Ms dhoni)। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে হারের পর তিনি বাইশ গজ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন। তারপরই বিশ্বজুড়ে শুরু হয় করোনা মহামারি। সারা বিশ্বের সঙ্গে দীর্ঘদিন লকডাউন ছিল ভারতবর্ষেও। লকডাউনের এই পুরো সময়টা রাঁচিতে নিজের পরিবারের সঙ্গে কাটিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি।

অবশেষে 437 দিন পর ক্রিকেটের 22 গজে দেখা গেল বিশ্বকাপ জয়ী ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। দীর্ঘদিন পর ধোনিকে ক্রিকেট মাঠে দেখে উচ্ছ্বসিত তার লক্ষ লক্ষ ভক্তরা। গত 15 ই আগস্ট সমস্ত ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। সেই কারণে এখন শুধুমাত্র আইপিএলেই দেখা যাবে ধোনিকে।

এখন ধোনির ঝলক দেখার জন্য ভক্তদের নজর রাখতে হবে শুধুমাত্র আইপিএলে। দীর্ঘদিন পর আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচের মধ্য দিয়ে 22 গজে কামব্যাক করলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। এমনিতেই দীর্ঘদিন পর ধোনিকে ক্রিকেট মাঠে দেখে উচ্ছ্বসিত তার ভক্তরা। তার উপর ধোনিকে দেখা গেল একেবারে নতুন লুকে। ধোনির এই নতুন লুক দেখে মনে হচ্ছে যেন কোন দক্ষিণী সিনেমার হিরো।

দীর্ঘদিন ক্রিকেট মাঠের বাইরে থাকলেও ধোনি নিজেকে একেবারে আগের মতোই ফিট রেখেছেন। ধোনির ফিটনেস দেখে বোঝা যাচ্ছে না ধোনির বয়স 40 ছুঁই ছুঁই। এখন আগের তুলনায় আরও বেশি পেশীবহুল চেহারায় ধোনি। আর ধোনির এই নতুন লুকে ঘায়েল হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী সাইয়ামি খের।
টুইট করে তিনি লিখেছেন, “ধোনির বাইসেপস দেখে মনে হচ্ছে যেন জার্সির হাতা ছিঁড়ে বেরিয়ে আসবে! দীর্ঘদিন পর ফের টসের সময় ধোনির গলার আওয়াজ শুনে ভালো লাগছে। সেই মার্চ মাস থেকে আমি এই মুহূর্ত দেখার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।

মহেন্দ্র সিং ধোনী (এই শব্দ সম্পর্কেউচ্চারণ (সাহায্য·তথ্য); হিন্দি: महेन्द्र सिंह धोनी; জন্ম ৭ জুলাই ১৯৮১) ঝাড়খণ্ডের রাঁচি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ভারতীয় ক্রিকেটার। মহেন্দ্র সিং ধোনীর অধিনায়কত্বে ভারত ২০০৭ আইসিসি বিশ্ব টোয়েন্টি২০, ২০০৭-০৮ সালের সিবি সিরিজ, ২০০৮ সালের বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি, ২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ২-০ ব্যবধানে একটি সিরিজ ও ২০১১ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয় করেছে। তার অধিনায়কত্বেই ভারত টেস্টের র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে উঠে এসেছিল। এখনও পর্যন্ত টেস্ট এবং একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার রেকর্ড ভারতীয় অধিনায়কদের মধ্যে সেরা। তিনি ২০১৩ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয় করেন, সেই সাথে বিশ্বের প্রথম অধিনায়ক, যাঁর আইসিসির সব টুর্নামেন্ট জয় করার কৃতিত্ব রয়েছে । আইপিএল ২০১০ ও চ্যাম্পিয়ন্স লীগে তিনি চেন্নাই সুপার কিংস দলের অধিনায়কত্ব করছেন। তার নেতৃত্বে ভারতীয় দল প্রথম শ্রীলঙ্কা ও নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ওয়ানডে ইন্টারন্যাশনাল সিরিজ জয় করেছে এবং ভারত কুড়ি বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে হারাতে সক্ষম হয়েছে।

ধোনী একাধিক সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি ২০০৮ ও ২০০৯ সালে আইসিসি একদিনের ক্রিকেটের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পান। তিনিই প্রথম ভারতীয়, যিনি এই পুরস্কার পেয়েছেন। এছাড়া তিনি ভারতের সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মান রাজীব গান্ধী খেলরত্ন ও দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মশ্রী পেয়েছেন।

একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট রেটিংয়ে জানুয়ারী ২০১০ সালে ধোনী সর্বোচ্চ র‌্যাঙ্কিংধারী খেলোয়াড়ের অধিকারী ছিলেন। ২০০৯ সালে ক্রিকেটের বাইবেল নামে পরিচিত উইজডেনের স্বপ্নের টেস্ট একাদশ দলের অধিনায়ক হিসেবে ঘোষিত হন এবং ফোর্বস ম্যাগাজিন কর্তৃক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ধনী ১০ ক্রিকেটারের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় হিসেবে মনোনীত হন মহেন্দ্র সিং ধোনি।

২০০৯ সালে ধোনি আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট এবং আইসিসি ওডিআই দলের অধিনায়ক হিসেবে তার নাম ঘোষিত হয়। ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটের চূড়ান্ত খেলায় তিনি মাত্র ৭৯ বলে ৯১ রান করে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অসাধারণ ব্যাট করেন এবং ভারতীয় দল চ্যাম্পিয়ন হয়। ঐ খেলায় ধোনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের সম্মানজনক পুরস্কার লাভ করেন। বিশ্বের ইতিহাসে অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জয় করেন ।

২০১১ সালে ধোনিকে ভারতের সামরিক বাহিনী লেফটেন্যান্ট কর্নেলের পদমর্যাদা প্রদান করে।[২] মহেন্দ্র সিং ধোনী ১৫ই অগাস্ট, ২০২০ তারিখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ ঘোষনা করেছেন।








Leave a reply