টানা চার ম্যাচে হার পঞ্জাবের, তিনে উঠে এল হায়দরাবাদ

|

ফের আরও একটা ম্যাচে হার৷ বৃহস্পতিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে ৬৯ রানে হারে কিংস ইলেভেন পঞ্জাব৷রানের পাহাড়ে চাপা পড়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে একপ্রকার আত্মসমর্পণ করল কিংস ইলেভেন পঞ্জাব।

ওয়ার্নারদের ছুঁড়ে দেওয়া ২০২ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে ১৩২ রানেই গুটিয়ে গেল কেএল রাহুলদের ইনিংস। বড় রান তাড়া করতে নেমে নিকোলাস পুরান (৭৭) ছাড়া সেই অর্থে ব্যাট হাতে দাগ কাটতে পারলেন না পঞ্জাবের কোনও ব্যাটসম্যানই। ফল যা হওয়ার তাই হল। ৬৯ রানে হেরে টানা চতুর্থ ম্যাচে পরাজিত হয়ে লিগ টেবিলের একেবারে শেষেই রইল পঞ্জাব।

অন্যদিকে ষষ্ঠ ম্যাচে টুর্নামেন্টে তৃতীয় জয় ছিনিয়ে নিয়ে তৃতীয়স্থানে উঠে এল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। বড় রান তাড়া করতে নেমে এদিন ব্যর্থ পঞ্জাবের ওপেনিং জুটি। দলীয় ১১ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৯ রানে ফেরেন ময়াঙ্ক আগরওয়াল। এরপর ১১ রানে ফেরেন উইকেটরক্ষ সিমরন সিং। ১১ রানে আউট হন অধিনায়ক কেএল রাহুলও। দলের রান তখন ৩ উইকেটে ৫৮। এরপর ব্যাটে ঝড় তুলে ম্যাচের মোড় কিছুটা ঘোরানোর চেষ্টা করেছিলেন উইন্ডিজ ব্যাটসম্যান নিকোলাস পুরান।

গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে তাঁর ৪৭ রানের জুটিতে কিছুটা আশার আলো দেখেছিল কিংস ইলেভেন। কিন্তু তরুণ প্রিয়ম গর্গের দুরন্ত থ্রোয়ে ম্যাক্সওয়েল (৭) রান আউট হতেই কার্যত সব আশা শেষ হয়ে যায় পঞ্জাবের। অর্ধশতরান পূর্ণ করে পুরান একা লড়াই চালালেও উলটোদিকে তাঁকে সঙ্গ দেওয়ার আর কেউ ছিলেন না। এদিকে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট তুলে নিতে থাকেন রশিদ খান, খলিল আহমেদ, টি নটরাজনরা। ৩৭ বলে ৭৭ রান করে (৫টি চার এবং ৭টি ছয়) ১৫তম ওভারে রশিদ খানের শিকার হন পুরান।

এদিন পঞ্জাবের ৭ জন ব্যাটসম্যান আউট হন এক অঙ্কের রানে। শেষ অবধি ১৬.৫ ওভারে ১৩২ রানেই গুটিয়ে যায় পঞ্জাব ব্রিগেড। হায়দরাবাদের হয়ে এদিন বল হাতে আবারও অনবদ্য রশিদ খান ৪ ওভারে ১২ রান দিয় নেন ৩ উইকেট। এছাড়া ২টি করে উইকেট নেন খলিল আহমেদ এবং টি নটরাজন। ১টি উইকেট অভিষেক শর্মার দখলে। এর আগে টস জিতে এদিন দুবাইয়ে প্রথমে ব্যাটিং’য়ের সিদ্ধান্ত নেন সানরাইজার্স অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। বেয়ারস্টোর সঙ্গে তাঁর ওপেনিং পার্টনারশিপে ১৬০ রানই জয়ের ভিত গড়ে দেয় হায়দরাবাদের। ৪০ বলে ৫২ রান করেন অধিনায়ক।

নিশ্চিত শতরান হাতছাড়া করে আউট হন বেয়ারস্টো। ৭টি চার এবং ৬টি ছয়ের সাহায্যে ৫৫ বলে বিধ্বংসী ৯৭ রানের ইনিংস খেলে আউট হন ইংরেজ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। কেন উইলিয়ামসনের ১০ বলে অপরাজিত ২০ এবং অভিষেক শর্মার ৬ বলে ১২ রানে ভর করে শেষ ২ ওভারে ২৬ রান যোগ করে হায়দরাবাদ। শেষ অবধি ৬ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২০১ রান তোলে হায়দরাবাদ।








Leave a reply