জমে উঠেছে প্রেসিডেন্টস কাপ

|

জমে উঠেছে ত্রিদলীয় বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ। সীমিত ওভারে এই টুর্নামেন্টের লিগ পর্বের নিজেদের শেষ ম্যাচে তামিম একাদশকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখল মাহমুদউলস্নাহ একাদশ। আজ বুধবার তামিম ও নাজমুল একাদশের ম্যাচের পর জানা যাবে কারা খেলবে এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে।

মঙ্গলবার লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২২১ রান করে তামিম একাদশ। জবাবে ৬ উইকেটের বিনিময়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় মাহমুদউলস্নাহ একাদশ। দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যাচসেরা হয়েছেন অভিজ্ঞ পেসার রুবেল হোসেন। হিসাব ছিল, রিয়াদের দল এই ম্যাচে হারলেই, তিন দলীয় এই আসরের ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যায় নাজমুল শান্ত একাদশ ও তামিম ইকবাল একাদশের। কারণ আগের তিন ম্যাচের মাত্র ১টিতে জিততে পেরেছিল মাহমুদউলস্নাহ একাদশ। তবে হাল ছাড়েনি অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে গড়া মাহমুদউলস্নাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন এই দলটি। লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে জিতে, ৪ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনালের দৌড়ে টিকে রইল মাহমুদউলস্নাহ একাদশ। অন্যদিকে ৩ খেলায় ৪ পয়েন্ট নাজমুল একাদশেরও। আর ৩ ম্যাচে মাত্র ২ পয়েন্ট নিয়ে অনেকটাই ছিটকে গেল তামিম একাদশ। সব দলেরই জয় ও পয়েন্ট সমান হলে বিবেচনায় আসবে রানরেট। যেখানে সবার শীর্ষে রয়েছে শান্ত একাদশ। আজ লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে লড়বে নাজমুল ও তামিম বাহিনী। ওই ম্যাচের পর পুরোপুরিভাবে নিশ্চিত হবে ফাইনালের লাইন-আপ।

প্রেসিডেন্টস কাপে সবার নজর কেড়েছে নাজমুল শান্তর একাদশ। তারুণ্যনির্ভর দলটা অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে গড়া বাকি দুই দলের সঙ্গে সমানে সমানে দিচ্ছে টেক্কা। আফিফ-শান্ত-ইমনদের মতো তরুণদের সঙ্গে আছে মুশফিক-সৌম্য-আল আমিনদের অভিজ্ঞতা।

টুর্নামেন্টে তামিম-মাহমুদউলস্নাহদের দলের ব্যাটিং পীড়াদায়ক হলেও, ব্যতিক্রম নাজমুল শান্ত’র দল। তিন ম্যাচে তামিম-সৌম্যদের ব্যাট হাসেনি তবে, মুশফিক-আফিফ-ইরফান শুক্কুরদের ব্যাটিং প্রতি ম্যাচেই দিয়েছে ক্রিকেটীয় বিনোদন।

টি২০ কর্পোরেট লিগসহ বিসিবির পরিকল্পনায় আছে বেশকিছু টুর্নামেন্ট। সেসবের প্রস্তুতি হিসেবে প্রেসিডেন্টস কাপকে বেশ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তরুণ অলরাউন্ডার আফিফ হোসেন ধ্রম্নব। চলমান প্রেসিডেন্টস কাপে নিজেদের সবশেষ ম্যাচেই খেলেছেন ৯৮ রানের দারুণ এক ইনিংস। সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ তো আছেই, তবে দল জয় পেয়েছে সেই তৃপ্তিও আছে এই তরুণের কণ্ঠে। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে দীর্ঘসময় ব্যাটিং করাটাও বেশ উপভোগ্য ছিল আফিফের জন্য।

মাহমুদউলস্নাহর দলের বিপক্ষে জয়ে ভূমিকা ছিল আফিফ হোসেন ধ্রম্নব’র ব্যাটিং। অবশ্য ঘরোয়া ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ধরেই ব্যাট কিংবা বল, দলের জন্য দুই ভূমিকাতেই অবদান রেখে চলেছেন এই অলরাউন্ডার। গেল বিপিএলে ১৫ ম্যাচে করেছিলেন ৩৭০ রান। বিসিএলেও ছিলেন রানের মধ্যেই। তাই চলমান টুর্নামেন্টে রান পাওয়াটাকে সামনের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন ধ্রম্নব।

আফিফ বলেন, ‘ব্যাটে রান পাচ্ছি এটা বেশ ভালো ব্যাপার। সামনে যে খেলাগুলো হবে, সেগুলোর জন্য ভালো প্রস্তুতি নেয়া যাচ্ছে। এখন যা শিখছি পরবর্তীতে তা কাজে লাগবে।








Leave a reply