স্পা সেন্টারে অভিযানে গ্রেপ্তার ২৮ জন কারাগারে

|

রাজধানীর গুলশানের অ্যাপেল থাই স্পা সেন্টার এবং ছোয়া বিউটি পার্লারে অভিযানে গ্রেপ্তার ২৮ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন জামিন আবেদন খারিজ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন ইমন আহম্মেদ, শাকিল আহাম্মেদ, রিংন্টু ছিরাং, জিয়াউল হাসান, কামরুজ্জামান, মোশাররফ হোসেন, সাইফুল ইসলাম, রেজওয়ানুল ইসলাম, জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম, রায়হান আলম ব্যাপারী, রিয়া আক্তার, মাহি, সিমা, সামিয়া আক্তার, জুলি সাংমা, স্মৃতি, রিনা আক্তার, সুমি, হামিদা, মনি, শারমিন, পাপরী, তিশা, মিষ্টি আক্তার, সুমা ও সালমা আক্তার অরিন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই মোফাজ্জল হোসেন আসামিদের আদালতে হাজির করেন। ইমন আহম্মেদ ও শাকিল আহাম্মেদের দুই দিন করে রিমান্ড এবং অপর ২৬ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

ওই দুই আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। অপর আসামিদের পক্ষেও তাদের জামিন আবেদন করেন আইনজীবীরা। এসময় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধীতা করা হয়।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ওই দুই আসামির রিমান্ড নামঞ্জুর করে একদিন জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন। অপর ২৬ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গতকাল রবিবার রাত সাড়ে ৮টায় গুলশান-২ এর ১০৫ নম্বর রোডের একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে অ্যাপেল থাই স্পা ও ছোয়া বিউটি পার্লারে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে স্পার নামে এই সেন্টারকে অসামাজিক কাজে ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময় ১২ জন নারী ও ১৬ জন পুরুষকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে গুলশান থানার এসআই মো. ওয়ালিয়ার রহমান মানবপাচার প্রতিরােধ ও দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

কারাগার (ইংরেজি: Prison) একটি বিশেষ আবাসস্থল, যেখানে আসামীরা অবস্থান করেন। গাউল, জেল, দ্য বিগ হাউজ, দ্য স্ল্যামার অথবা দ্য স্টোনি লোনসাম নামেও কারাগারের পরিচিতি রয়েছে। এরফলে অপরাধী ব্যক্তি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরায় বাঁধাগ্রস্ত হন ও মৌলিক স্বাধীনতা ভোগ করতে পারেন না। কারাগার সরকার কর্তৃক পরিচালিত হয়। কারাগারের ইংরেজি শব্দ হচ্ছে প্রিজন যা প্রাচীন ফরাসী শব্দ প্রিসাউন থেকে উৎপত্তি হয়েছে।








Leave a reply