লেবাননে হিজবুল্লাহ\’র ঘাঁটিতে শক্তিশালী বিস্ফোরণ, বহু হতাহতের শঙ্কা

|

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ’র ঘাঁটিতে শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। রাজধানী বৈরুত থেকে ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণের আইন কানা গ্রামে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিস্ফোরণের পর সেখানে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। শক্তিশালী বিস্ফোরণের কারণ এখনো জানা যায়নি। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল হিজবুল্লাহ’র শক্তশালী রাজনৈতিক ঘাঁটি রয়েছে। সতর্কতার জন্য এলাকাজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে।

সীমান্ত এলাকায় হিজবুল্লাহ’র সঙ্গে প্রায় সময়ই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে ইসরাইলি বাহিনী। তবে এ ঘটনায় দু’পক্ষের মধ্যে কোনো সংঘর্ষ হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করেনি।

এর আগে গত ৪ আগস্ট বৈরুত বন্দরের একটি রাসায়নিক গুদামে প্রথমে আগুন, এরপর ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। গুদামটিতে ২ হাজার ৭৫০ টন বিপজ্জনক রাসায়নিক অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট প্রায় ছয় বছর ধরে মজুত ছিল বলে জানা গেছে। শক্তিশালী ওই বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়ে যায় গোটা শহরের অর্ধেক। এতে প্রাণ হারান প্রায় ২০০ মানুষ, আহত হন অন্তত সাড়ে ছয় হাজার। বিস্ফোরণে মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

হিজবুল্লাহ (উচ্চারণ: /ˌhɛzbəˈlɑː/;[৮][৯] আরবি: حزب الله‎‎ Ḥizbu ‘llāh, আক্ষরিক অর্থে “আল্লাহর দল” অথবা “ঈশ্বরের দল”) — লেবানন ভিত্তিক শিয়া ইসলামপন্থী একটি রাজনৈতিক দল ও সশস্ত্র সংগঠন।[১০][১১] দলটির জিহাদ কাউন্সিল নামক সামরিক শাখা এবং লয়ালটি টু দ্য রেসিস্ট্যান্স ব্লক নামক রাজনৈতিক শাখা রয়েছে। এটি ইরান ও সিরিয়া থেকে আর্থিক ও রাজনৈতিক সমর্থন গ্রহণ করে, এবং তার সামরিকপক্ষকে আরব এবং মুসলিম বিশ্বের অনেক অংশ জুড়ে একটি প্রতিরোধের আন্দোলন হিসেবে গণ্য করা হয়। মার্কিন সরকার,[১২] নেদারল্যান্ডস,[১৩][১৪][১৫][১৬] বাহরাইন,[১৭][১৮]ফ্রান্স,[১৯] গ্রেট ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইসরায়েলের কাছে হিজবুল্লাহ পুরো বা আংশিকভাবে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন।[২০][২১]

Ekaterina Stepanova, Terrorism in Asymmetrical Conflict: Ideological and Structural Aspects ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ মার্চ ২০১৬ তারিখে, Stockholm International Peace Research Institute, Oxford University Press 2008, p. 113
Elie Alagha, Joseph (২০১১)। Hizbullah’s Documents: From the 1985 Open Letter to the 2009 Manifesto। Amsterdam University Press। পৃষ্ঠা 15, 20। আইএসবিএন 978-90-8555-037-2।
Shehata, Samer (২০১২)। Islamist Politics in the Middle East: Movements and Change। Routledge। পৃষ্ঠা 176। আইএসবিএন 978-0-415-78361-3।
Husseinia, Rola El (২০১০)। “Hezbollah and the Axis of Refusal: Hamas, Iran and Syria”। Third World Quarterly। 31 (5): 803–815। ডিওআই:10.1080/01436597.2010.502695।
Philip Smyth (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। The Shiite Jihad in Syria and Its Regional Effects (PDF) (প্রতিবেদন)। The Washington Institute for Near East Studies। পৃষ্ঠা 7–8। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০১৫।
Levitt, Matthew (২০১৩)। Hezbollah: The Global Footprint of Lebanon’s Party of God। পৃষ্ঠা 356। আইএসবিএন 9781849043335। Hezbollah’s anti-Western militancy began with attacks against Western targets in Lebanon, then expanded to attacks abroad intended to exact revenge for actions threatening its or Iran’s interests, or to press foreign governments to release captured operatives.
Hanhimäki, Jussi M.; Blumenau, Bernhard (২০১৩)। An International History of Terrorism: Western and Non-Western Experiences। পৃষ্ঠা 267। আইএসবিএন 9780415635400। Based upon these beliefs, Hezbollah became vehemently anti-West and anti-Israel.
Siegel, Larry J. (৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২)। Criminology: Theories, Patterns & Typology। পৃষ্ঠা 396। আইএসবিএন 978-1133049647। Hezbollah is anti-West and anti-Israel and has engaged in a series of terrorist actions including kidnappings, car bombings, and airline hijackings.
উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ ট্যাগ; bbc-hi-me নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি








Leave a reply