বোমাসদৃশ পাওয়া এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ

|

সিলেট পুলিশ সদস্যের মোটরসাইকেলে বোমাসদৃশ বস্তু পাওয়া এলাকাটি ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকালে ওই এলাকার রাস্তা ও দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়েছে। গভীর রাতে র‌্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে গেলেও অভিযান চালায়নি। সবাই এখন ঢাকা থেকে পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী বিশেষ দলের পৌঁছানোর অপেক্ষায় আছেন।

নগরের চৌহাট্টা মোড় এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের সদস্য সার্জেন্ট চয়ন নাইডুর মোটরসাইকেলে বোমাসদৃশ‌ বস্তুটি দেখতে পাওয়া যায়। সার্জেন্ট চয়ন নাইডু প্রথম আলোকে বুধবার রাতে জানিয়েছিলেন, বুধবার সন্ধ্যার দিকে তিনি চৌহাট্টা মোড়ে মোটরসাইকেল রেখে চশমা কিনতে একটি দোকানে যান। দোকান থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলের কাছে আসেন। তাতে উঠতে গিয়ে দেখতে পান, পা রাখার স্থানে ড্রিল মেশিনের মতো একটি বস্তু বেঁধে রাখা। সেটি বোমাসদৃশ‌ হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান।

খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। তারা স্থানটি ঘিরে রাখে। চৌহাট্টা-জিন্দাবাজার সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ঘটনাস্থলের চারপাশে সতর্ক অবস্থানে আছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তাঁরা চৌহাট্টা মোড়ে রাখা মোটরসাইকেলটি ঘিরে রেখেছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে ওই এলাকার বেশ কয়েকটি দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়েছে। আশপাশে পথচারী এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতও বন্ধ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-৯) একটি বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে আসে। তারা এলাকার পরিদর্শন করলেও বোমাটি উদ্ধার বা নিষ্ক্রিয় করতে অভিযান চালায়নি। পরে ঢাকায় পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী বিশেষ দলকে খবর দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট নগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ। তিনি বলেন, ‘আমরা বুধবার রাত থেকে ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছি। মোটরসাইকেলটিতে থাকা বস্তুটি বোমা কি না তা নিশ্চিত নয়। সেটি উদ্ধারের জন্য ঢাকা থেকে পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী বিশেষ দলের সিলেটে আসার কথা রয়েছে। তবে তারা কখন সিলেটে পৌঁছাবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।’








Leave a reply