বিদেশ নেওয়ার নামে প্রতারণা, দুই প্রতিষ্ঠানের আটক ৮

|

বিদেশ নেওয়ার নাম করে উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বনানী এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু।

এ সময় দুটি প্রতিষ্ঠানের ৮ জনকে আটক করা হয়। আটককৃত ৮ জন হলেন, ‘ড্রিম ভিসা কনসালটেন্সি’ এর মালিক তোফাজ্জল হোসেন, মোছা. নাইমা সুলতানা জুম, সানজিদা আক্তার, সাদিয়া আক্তার, স্বপ্না আক্তার, জুই এবং ‘ফাতেমা ওভাসিজ’ এর কবির হোসেন ও মো. সোহাগ।

এ সম্পর্কে পলাশ কুমার বসু কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ফাতেমা ওভারসিজ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়। পরে আরো ৬ জনকে আটক করা হয়। এ প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে সৌদি আরবে গিয়ে একজন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ওই ভুক্তভোগীর উপস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালানো হয়। তাদের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে ২০১২ অনুযায়ী বনানী থানায় মামলা হয়েছে। আর ড্রিম ভিসা কনসালটেন্সির ৬ জনকে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসি আইন ২০১৩ অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে জেল জরিমানা করা হয়েছে।

র‌্যাব সূত্র জানায়, ফাতেমা ওভারসিজ কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে নিয়ে যাবে বলে মানুষের কাছ থেকে অনেক টাকা হাতিয়েছে। আর ড্রিম ভিসা কনসালটেন্সি নামে অন্য প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ও চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে ফিজি ও কানাডায় উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভনে বিপুল সংখ্যক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। দুটি প্রতিষ্ঠানই সরকারের অনুমোদন ছাড়া সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলো। ভ্রাম্যমাণ আদালতে ড্রিম ভিসা কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠানের মালিক তোফাজ্জলকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, নাইমাকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, সানজিদা, স্বপ্না ও জুইকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।








Leave a reply