বাউফলে প্রসংসাপত্র নিতে লাগে ৫০০ টাকা!

|

বাউফলে কলেজে ভর্তি হতে মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো থেকে এসএসসি পাশের প্রসংশাপত্র পেতে শিক্ষার্থী প্রতি ৫০০ করে টাকা নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষা বোর্ডের কোন নির্দেশনা না থাকলেও ওই টাকা আদায় করছে বিদ্যালয় কতৃপক্ষ। এঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বাউফলের ৬০ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৬৭ টি মাদ্রাসার বিরুদ্ধেই কমবেশি ওই অভিযোগ উঠেছে। চলতি বছর উপজেলার ধানদী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করা শিক্ষার্থী তামিম, আশা, বীথি আক্তার, রবিউল রানা, সানজিদা, আফসানা, জনিয়া ও সাকিব নামের কয়েক শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়ে বিদ্যালয়ে মার্কসীট ও প্রসংশাপত্র আনতে গেলে প্রধান শিকক্ষ মঞ্জুর মোর্শেদ তাদের কাছ থেকে ৫০০ করে টাকা আদায় করেন।

ওই বিদ্যালয়ের একাধিক অভিভাবক জানান, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও ধানদী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঞ্জুর মোর্শেদ নানা কৌশলে ওই টাকা আদায় করছেন। তিনি কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা করেন না। এর আগেও পাঠ উন্নয়ন পরীক্ষা, ফরম পূরণ ও প্রবেশপত্র বাবদ তিনি অতিরিক্ত টাকা আদায় করেছিলেন।

প্রধান শিক্ষক মঞ্জুর মোর্শেদ ইতিপূর্বে আরিফুল ইসলাম, আবু সালেহ ও আবদুল্লাহ আল কাফি নামের তিন শিক্ষার্থীর মেধাবৃত্তির পঁচিশ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছিলেন । সংবাদ মাধ্যমে ওই ঘটনা প্রকাশ হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেনের হস্তক্ষেপে ওই টাকা ফেরত দিয়েছিলেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রধান শিক্ষক জানান, উপজেলার সকল বিদ্যালয়েই প্রসংশাপত্র নেয়ার সময় রেকর্ড কিপিং নামে দুই একশো টাকা নেয়া হয়। তবে ৫০০ টাকা নেয়া ঠিক না। তারা আরো জানান, এধরণের টাকা আদায়ের জন্য শিক্ষা বোর্ডের কোন অনুমতি নেই। এব্যপারে মতামত জানতে ধানদী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঞ্জুর মোর্শেদের মোবাইল নম্বরে বহুবার ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিফ করেননি।








Leave a reply