বন্যায় ফুঁসছে বিহার; হাজারো গ্রাম জলের তলায় , বিপর্যস্ত প্রায় 55 লাখ মানুষ

|

বিহারে মহানন্দা, বুড়ি গণ্ডক, কোশি, বাগমতী নদীগুলির চেহারা অনেক ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে ৷ বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে জল ৷ বন্যার জলে ডুবে রয়েছে হাজারের বেশি গ্রাম ৷ বিহারের 14টি জেলার 55 লাখ মানুষের জীবন একেবারে বিপর্যস্ত ৷ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনও লক্ষণই নেই ৷ তবে, স্বস্তির খবর এটাই যে গত 48 ঘণ্টায় বিহারে মৃতের সংখ্যা বাড়েনি ৷ 14টি জেলায় এখনও পর্যন্ত 13 জনের মৃত্যু হয়েছে ৷

বাগমতী, কামলা বালান ও আধওয়ারা এই তিনটি নদী দিয়ে ঘেরা দ্বারভাঙা জেলার পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ ৷ বন্যায় মৃত 13 জনের মধ্যে সাতজনই হল দ্বারভাঙার বাসিন্দা ৷ জেলার 196টি পঞ্চায়েতের 16.89 মানুষ এই সময় বন্যার কবলে ৷ দ্বারভাঙার পর চম্পারণ, মুজফফপুর, সীতামারি, মধুবনী সহ বিভিন্ন জেলা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ৷ ইতিমধ্যেই বন্যা কবলিত এলাকাগুলি থেকে মানুষজন ও পশুদের সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করেছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ৷ উদ্ধারকাজে মোতায়েন করা হয়েছে NDRF-এর 23টি টিম ৷ এখনও পর্যন্ত 4.18 লাখ মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ৷ এই বিষয়ে NDRF-এর নবম ব্যাটেলিয়নের কমান্ডান্ট বিনয় সিনহা বলেন, “14টি জেলায় ক্রমাগত রেইকি করছে আমাদের টিম ৷ এখনও পর্যন্ত 10 হাজার 700 জন মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে ৷”

ডিজ়াস্টার ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গোপালগঞ্জ, পূর্ব চম্পারণ, খাগারিয়া ও সমস্তিপুর জেলায় 19টি ত্রাণ শিবির গড়া হয়েছে ৷ সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন 17 হাজার 554 জন বন্যাপীড়িত মানুষ ৷ প্রয়োজন পড়লে আরও অস্থায়ী শিবির তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার ৷ পাশাপাশি 1358টি কমিউনিটি কিচেনের মাধ্যমে নয় লাখ মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে ৷








Leave a reply