ধেয়ে আসছে প্রবল বেগে বৃষ্টি, এই জেলাগুলিতে পড়বে নিম্নচাপের প্রভাবঃ আবহাওয়ার খবর

|

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ আবহাওয়া দফতর (Weather office) জানিয়েছিল, রবিবার বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ সংগঠিত হতে চলেছে। যার জেরে ভাসবে বাংলার দক্ষিণের বেশ কিছু জেলা। তবে রবিবার নিম্নচাপ সংগঠিত হলেও, দক্ষিণ অপেক্ষা উত্তরে বৃষ্টির পরিমাণ ছিল অনেকটাই বেশি।

কলকাতা সংলগ্ন এলাকায় সকালের দিকে কালো মেঘে ঢেকে গেলেও, সামান্য বৃষ্টির পরই আবার জায়গা করে নিয়েছিল ভ্যাপসা গরম। নিম্নচাপের দিকে তাকিয়ে বসে থাকা মানুষজনের মনে আবারও হতাশার ছায়া। সোমবার সকাল থেকেই বৃষ্টির কোন চিহ্ন নেই। রোদ উঠেছে সারা আকাশ জুড়ে।

আজকের তাপমাত্রা
আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। সোমবার সকাল থেকেই আকাশে কখনও রোদ, আবার কখনও মেঘের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে আজ বেশ কিছু এলাকায় সকালের দিকে কয়েকবার বজ্র বৃষ্টি এবং রাতের দিকেও বেশ কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে চলবে ভারী বৃষ্টিপাত। আজ তাপমাত্রার পারদ কিছুটা নামতে পারে।

বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও পুরুলিয়ায় সোমবার এবং মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টির জন্য জারী করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। ২১ থেক ২৪ শে সেপ্টেম্বর দক্ষিণের বেশ কিছু এলাকায় রয়েছে ব্যাপক বৃষ্টির আশঙ্কা, এমনটা জানিয়েছে আবহাওয়াবিদরা। আবার এদিকে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পংয়েও রয়েছে প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস। তবে বুধবার এবং বৃহস্পতিবারও উত্তবঙ্গের বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টি সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃষ্টি একধরনের তরল, যা আকাশ থেকে মাধ্যাকর্ষণের টানে ভূপৃষ্ঠের দিকে পড়ে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে মেঘের সৃষ্টি করে। এই ফোঁটাগুলি যথেষ্ট পরিমাণে ভারি হলে তা পৃথিবীর বুকে ঝরে পড়ে – একেই বলে বৃষ্টি। বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টি সুপেয় জলের বড় উৎস। বিচিত্র জৈবব্যবস্থাকে বাঁচিয়ে রাখতে, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলি সচল রাখতে ও কৃষি সেচব্যবস্থা সচল রাখতে বৃষ্টির প্রয়োজন হয়। যদিও সকল প্রকার বৃষ্টি ভূপৃষ্ঠ অবধি পৌঁছায় না। শুকনো বাতাসের মধ্য দিয়ে পড়ার সময় কিছু বৃষ্টির বিন্দু শুকিয়ে যায়। ভারগা নামে পরিচিত এই বৈশিষ্ট্যটি শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চলে দেখা যায়।








Leave a reply