জোর করে চুমু দেয়ার অভিযোগ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে!

|

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করলেন সাবেক মডেল অ্যামি ডরিস। ট্রাম্প তাকে একবার জোর করে চুমু খেয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

এক বছর আগে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ডরিস জানান, ‘১৯৯৭ সালে ট্রাম্প আমাকে জোর করে চুম্বন করেন। ঘটনাটা ঘটেছিল নিউ ইয়র্কে ইউএস ওপেন টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ চলার সময় ভিআইপি বক্সে।’

ডরিস বলেছেন, ‘ট্রাম্প আমায় চেপে ধরেন। তারপর জোর করে তার জিভ আমার মুখের ভেতরে ঢুকিয়ে দেন। ট্রাম্প এত জোরে চেপে ধরেছিলেন যে আমি ছাড়াতে পারছিলাম না। আমি বারবার তাকে থামতে বলেছিলাম, কিন্তু তিনি থামেননি।’

ডরিসের দাবি, ‘আমি সে সময় অনেককে এই ঘটনার কথা বলেছিলাম। তাদেরকে জিজ্ঞাসা করে দেখতে পারেন।’ যখন এই ঘটনা ঘটেছিল, তখন তার বয়স ছিল ২৪ বছর। ট্রাম্পের ৫১। তিনি তখন দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন।

গার্ডিয়ানকে এক বছর আগে এই সাক্ষাৎকার দেন ডরিস। তার অনুরোধ ছিল, তখন তা যেন ছাপা না হয়। তিনি বলেছেন, ট্রাম্প এই কাজ করার পরেও ছাড়া পেয়ে গেছেন দেখে আমার খুব খারাপ লাগে।

এদিকে ট্রাম্পের আইনজীবী গার্ডিয়ানকে জানিয়েছেন, ডরিস যা বলছেন তা একেবারেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। এরকম ঘটনা ঘটলে তার তো সাক্ষী থাকবে।

আগামী ৩ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। তার আগে এই ধরনের অভিযোগ পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

ডোনাল্ড ট্রাম্প, সিনিয়র (জন্ম: জুন ১৪, ১৯৪৬) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি।[৩] তিনি এছাড়াও একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, বিশিষ্ট সামাজিক ব্যক্তিত্ব, লেখক হিসেবে আলোচিত।[৪][৫][৬][৭] তিনি দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশ্যানের পরিচালক এবং ট্রাম্প এন্টারটেইনম্যান্ট রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা।

ট্রাম্প নিউ ইয়র্ক শহরের স্থানীয় বাসিন্দা ফ্রেড ট্রাম্পের ছেলে। রিয়েল এস্টেট ব্যবসাকে নিজের কর্মজীবন হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার পিতার যথেষ্ট অনুপ্রেরণা ছিল। ট্রাম্প পেন্সিল্‌ভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় অধীন হোয়ারটন স্কুলে অধ্যয়নের সময় তার পিতার ‘এলিজাবেথ ট্রাম্প এন্ড সান’ প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি তার পিতার প্রতিষ্ঠানের হাল ধরেন। ১৯৭১ সালে ট্রাম্প তার পিতার প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণভার গ্রহণ করেন এবং প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে ”দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশ্যান” রাখেন। ট্রাম্প বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের রিয়েল স্টেট ব্যবসা এবং মিডিয়া তারকাদের মধ্যে অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।

ট্রাম্প জুন ১৬, ২০১৫ তারিখে রিপাবলিকান পার্টির অধীনে ২০১৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তার মনোনয়ন প্রার্থীতা ঘোষণা করেন। ট্রাম্প তার পূর্বের প্রচারণা কর্মকান্ড দিয়ে মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ এবং জনসমর্থন অর্জনে সক্ষম হন। জুলাই ২০১৫ থেকে রিপাবলিকান পার্টির জনমত নির্বাচনের মনোনয়নের ক্ষেত্রে পছন্দের দিক থেকে তিনি ধারাবাহিকভাবে প্রথম সারিতে অবস্থান করছেন। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি ৩০৬টি ইলেক্টরাল ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।








Leave a reply