চাঞ্চল্যকর নতুন তথ্য জানা গেল ওসি প্রদীপ ও ওসি মর্জিনার সম্পর্কে

|

চলতি বছরের ২২ জুলাই রাতে উখিয়ার কুতুপালং গ্রামের বাসিন্দা ইউপি সদস্য বখতিয়ার আহমেদের বাড়িতে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও উখিয়া থানার ওসি মর্জিনা আক্তারের নেতৃত্বে অভিযানে যায় একদল পুলিশ সদস্য।অভিনব কায়দায় বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ক্রসফায়ার করা হয় ইউপি সদস্য বখতিরাকে।

বখতিয়ার ভাই, একটু বের হবেন? একজন মানুষকে চিনিয়ে দিতে হবে, আপনি চেনেন কি না।গত ২২ জুলাই গভীর রাতে এভাবেই বাসার বাইরে ডেকে নেয়া হয় কক্সবাজারের কুতুপালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তিনবারের মেম্বার বখতিয়ার উদ্দিনকে। টেকনাফ ও উখিয়া পুলিশের টিমকে নেতৃত্ব দেন দুই ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও মর্জিনা আক্তার।রাত ৩টার দিকে বখতিয়ার মেম্বারকে পুলিশের গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরদিন অনেক খোঁজা খুঁজি করেও জানা যায়নি কোথায় আছেন তিনি। বিকেলে খবর আসে টেকনাফ থানায় রাখা হয়েছে তাকে।২৩ জুলাই রাত ৮টার ওসি প্রদীপের নেতৃত্বে পুলিশ ফিরে আসে ঐ বাসায়। গাড়িতে রাখা হয় বখতিয়ারকে। বাসা থেকে নেয়া হয় নগদ ৫১ লাখ টাকা, ১০ ভরি স্বর্নালংকার, জমির দলিল, চেকবইসহ মূল্যবান নানা কাগজপত্র। এ সময় ঐ পরিবারের নারী সদস্যদেরও `লাঞ্ছিত করেন পুলিশ সদস্যরা।২৪ জুলাই ভোরে জানা যায়, পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন দুজন।

একজন বখতিয়ার মেম্বার, আরেকজন মো. তাহের। এরপর উল্টো বখতিয়ারের তিন সন্তানের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র আইনে মামলা ঠুকে দেয় `পুলিশ।এসব অভিযোগ করেছেন ক্রসফায়ারে নিহত বখতিয়ার মেম্বারের বড় ছেলে বোরহান উদ্দিনের । তাদের কাছে পুলিশের সেদিনের অভিযানের সিসিটিভি ফুটেজ আছে উল্লেখ করে বোরহান জানান, এখন তারা পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।








Leave a reply