চাঁদপুর হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত

|

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন চাঁদপুরে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বেলায়েত হোসেন রোমান। এমন পরিস্থিতিতে তাকে নিজ বাসায় আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ আগে সর্দি ও জ্বরে আক্রান্ত হন ডা. বেলায়েত হোসেন রোমান। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় তার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার সেই পরীক্ষার নমুনায় করোনা পজিটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায়।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. সাখাওয়াত উল্লাহ’র পরামর্শে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বেলায়েত হোসেন রোমান এখন চাঁদপুর শহরে তার বাসায় আইসোলেশনে আছেন। পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তাকে সেখানে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছেন, জেলা সিভিল সার্জন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশে করোনার বিস্তার শুরু থেকে অসুস্থতার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ডা. বেলায়েত হোসেন রোমান একজন সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে হাইমচর উপজেলায় দায়িত্ব পালন করেছেন।

হাইমচর উপজেলার আয়তন ১৩৪.১৭ বর্গ কিলোমিটার (৩৩,১৫৪ একর)।[২] এ উপজেলার উত্তরে চাঁদপুর সদর উপজেলা, পূর্বে ফরিদগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণ-পূর্বে লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলা, দক্ষিণ-পশ্চিমে মেঘনা নদী ও বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলা এবং পশ্চিমে শরিয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলা অবস্থিত।

জানা যায় হাইমচর ইউনিয়নের সাথে শরিয়তপুর জেলার গোসাইরহাট এবং বরিশালের মুলাদী থানার সীমান্ত নির্ধারণের জন্য জটিলতা সৃষ্টি হয়। এমতাবস্থায় হেম বাবু নামক একজন দক্ষ কালেক্টরেক্ট নিয়োগ করা হয় সঠিক ভাবে সীমানা নির্ধারণের জন্য তিনি দক্ষতার সাথে তিনটি জেলার সীমানা নির্ধারণ করেন।অন্য একটি মত পাওয়া যায় যে, বিক্রমপুরের একজন জমিদারের অত্র এলাকায় একটি ছোট জমিদারী স্টেট ছিল। তার নামানুসারে হেম বাবুর চর হিসাবে অত্র এলাকার নাম হাইমচর হয়েছে।

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী হাইমচর উপজেলার মোট জনসংখ্যা ১,০৯,৫৭৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫৩,৬৫১ জন এবং মহিলা ৫৫,৯২৪ জন। মোট পরিবার ২৪,৯০৩টি।[২]

হাইমচর উপজেলা এক সময় জেলা বৃহৎ ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্র ছিল। যেহেতু ইহা নদীর তীরে অবস্থিত সেহেতু বিভিন্ন কৃষি পণ্যের জমজমাট বাজার বসত এখানে। প্রমত্ত মেঘনা ভাঙ্গনে হাইমচর সেই ঐতিহ্য হারিয়েছে।








Leave a reply