মোবাইল ফোন জীবাণুমুক্ত করার সহজ উপায়

|

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব চলছে। ভাবছেন অন্য জিনিসের মতো মোবাইল ফোনটিও পরিষ্কার রাখা দরকার। কিন্তু কীভাবে পরিষ্কার করবেন জানা আছে কী? কারণ, এমন অনেক পরিষ্কারক উপাদান রয়েছে যা আপনার প্রিয় মোবাইল ফোনটির ক্ষতি করতে পারে।

অণুজীব নিয়ে যারা গবেষণা করে থাকেন তারা বলছেন, এক্ষেত্রে ঘরে থাকা সাবান আর পানি দিয়েই মোবাইল ফোনটি পরিষ্কার করা যাবে। কিন্তু কীভাবে? ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের মাইক্রোবায়োজিস্ট লিনা সিরিক জানান কীভাবে আমরা মোবাইল ফোনটি পরিষ্কার করতে পারি।

তিনি জানান, মোবাইল ফোন পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে ক্যামিকেল, হ্যান্ড জেল ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এতে করে স্ক্রিনটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। খুব সাধারণ সাবানপানি দিয়েই মোবাইল ফোন পরিষ্কার করা সবচেয়ে ভালো।

প্রথমে মোবাইলটির কভার খুলে নিতে হবে। এরপর ছোট একটি কাপড় সাবান পানিতে সামান্য ভিজিয়ে ফোনটির স্ক্রিন এবং পেছনের দিকে ঘষতে হবে। এক্ষেত্রে খেয়াল রাখা ভালো যেন কোনভাবেই ফোনের চার্জিং পোর্ট বা হেডফোনের পোর্টে যেন পানি না ঢোকে। কেননা ওয়াটার রেজিস্ট ফোনেও সময়ের সাথে সাথে পানি ঢুকতে পারে এবং ফোনের ক্ষতি হতে পারে।

উল্লিখিত উপায়ে স্মার্টফোন পরিষ্কার করলে তা ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস দূর করবে।

তবে এছাড়াও আরো অত্যাধুনিক উপায়ে মোবাইল ফোন পরিষ্কার করা যায়। যেমন আইসোপ্রোপাইল প্যাড, আল্ট্রাভায়োলেট ডিভাইস প্রভৃতি।

তবে ফোন ব্যবহার করার আগে হাত না ধুয়ে ফোন ধরলে আবারো সেখানে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া লেগে যাবে। এজন্য হাত ধুয়ে ফোন ব্যবহার করতে হবে।

মোবাইল ফোন, সেলফোন, হ্যান্ড ফোন বা মুঠোফোন (ইংরেজি: Mobile phone তুর্কি:cep telefonu ) তারবিহীন টেলিফোন বিশেষ। মোবাইল অর্থ ভ্রাম্যমান বা “স্থানান্তরযোগ্য”। এই ফোন সহজে যেকোনও স্থানে বহন করা এবং ব্যবহার করা যায় বলে মোবাইল ফোন নামকরণ করা হয়েছে। মোবাইল অপারেটররা তাদের সেবা অঞ্চলকে ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, পঞ্চভুজ বা ষড়ভুজ ইত্যাদি আকারের অনেকগুলো ক্ষেত্র বা সেলে বিভক্ত করে ফেলে। সাধারণত ষড়ভুজ আকৃতির সেলই বেশি দেখা যায়। এই প্রত্যেকটি অঞ্চলের মোবাইল সেবা সরবরাহ করা হয় কয়েকটি নেটওয়ার্ক স্টেশন (সচরাচর যেগুলোকে আমরা মোবাইল ফোন কোম্পানির এন্টেনা হিসেবে জানি) দিয়ে। নেটওয়ার্ক স্টেশনগুলো আবার সাধারণত সেলগুলোর প্রতিটি কোণে অবস্থান করে। এভাবে অনেকগুলো সেলে বিভক্ত করে সেবা প্রদান করার কারণেই এটি “সেলফোন” নামেও পরিচিত। মোবাইল ফোন বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে যোগাযোগ করে বলে অনেক বড় ভৌগোলিক এলাকায় এটি নিরবিচ্ছিন্নভাবে সংযোগ দিতে পারে। শুধু কথা বলাই নয়, আধুনিক মোবাইল ফোন দিয়ে আরো অনেক সেবা গ্রহণ করা যায়। এর উদাহরণ হচ্ছে খুদে বার্তা -এসএমএস বা টেক্সট মেসেজ সেবা, এমএমএস বা মাল্টিমিডিয়া মেসেজ সেবা, ই-মেইল সেবা, ইন্টারনেট সেবা, অবলোহিত আলো বা ইনফ্রা-রেড, ব্লু টুথ সেবা, ক্যামেরা, গেমিং, ব্যবসায়িক বা অর্থনৈতিক ব্যবহারিক সফটওয়্যার ইত্যাদি। যেসব মোবাইল ফোন এইসব সেবা এবং কম্পিউটারের সাধারন কিছু সুবিধা প্রদান করে, তাদেরকে স্মার্ট ফোন নামে ডাকা হয়।

মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত ডঃ মার্টিন কুপার[১] এবং জন ফ্রান্সিস মিচেলকে[২][৩][৪] প্রথম মোবাইল ফোনের উদ্ভাবকের মর্যাদা দেয়া হয়ে থাকে। তাঁরা ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে প্রথম সফলভাবে একটি প্রায় ১ কেজি (২।২ পাউন্ড) ওজনের হাতে ধরা ফোনের মাধ্যমে কল করতে সক্ষম হন[৫]।

ডঃ মার্টিন কুপার
মোবাইল ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে, ফোনটির নাম ছিল মোটোরোলা ডায়না টিএসি ৮০০০এক্স (DynaTAC 8000x)। ১৯৯০ সাল থেকে ২০১১ সালের মধ্যে পৃথিবীব্যাপী মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২.৪ মিলিয়ন থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৬ বিলিয়নের বেশি হয়ে গেছে। পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮৭% মোবাইল ফোন যোগাযোগের আওতায় এসেছে[








Leave a reply