মাস্ক পরার সঠিক নিয়ম জানেন তো?

|

বিশ্বে এখন সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। এ পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১৩২ জন। ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে ভ্রমণ কিংবা চলাচলে আরও বাধানিষেধ আরোপ করেছে চীন সরকার। বাংলাদেশও সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। চীনের বাইরে আরও অন্তত ১৫টি দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সন্ধান মিলেছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির সংস্পর্শে এলে বা তার সঙ্গে হাত মেলালেও করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হতে পারে যে কেউ। তাই এই ভাইরাস থেকে বাঁচতে প্রথমেই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে অনেকেই ফেস-মাস্ক ব্যবহার করছেন। কিন্তু অনেকেই মাস্ক পরছেন ভুল পদ্ধতিতে।

মাস্ক ব্যবহারের সঠিক নিয়ম

সাধারণত যে মাস্ক প্রতিনিয়ত সবাই ব্যবহার করছেন সেটি সার্জিক্যাল মাস্ক। এই মাস্ক সুস্থ আর অসুস্থতার ক্ষেত্রে ব্যবহারবিধি ভিন্ন। সার্জিক্যাল মাস্ক এর সামনে নীল আর পেছনে সাদা রংয়ের থাকে। সুস্থ থাকলে শুধু দূষণ থেকে রক্ষার জন্য মাস্কটির সাদা রংয়ের অংশটি সামনে রেখে পরতে হবে এবং অসুস্থ হলে মানে জ্বর, ঠাণ্ডা, কাশি হলে নীল রংয়ের রেয়ার দেয়া অংশটি সামনে রেখে মাস্ক পরতে হবে।

এই মাস্ক এর যথাযথ ব্যবহার অনেকেই না জানায়, আমরা মাস্ক ব্যবহার করছি ঠিকই কিন্তু রোগ জীবাণুর হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারছি না।
সার্জিকাল মাস্ক এর দুটি অংশ আছে, একটি নীল অন্যটি সাদা। (মূল ফিল্টারটি এই দুই লেয়ারের মাঝে অবস্থিত) আপনি যদি জ্বর সর্দি কাশি ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হন এবং তাহলে নীল রঙের অংশটি বাইরে দিকে রেখে সাদা অংশটি ভিতরের দিকে রেখে মাস্ক পরিধান করুন।

অন্যদিকে, যদি আপনি রোগমুক্ত ব্যক্তি হয়ে থাকেন, এবং বাইরের ধুলাবালি ও রোগ জীবাণু আপনার শরীরে প্রবেশে বাধা দিতে চান, তাহলে সাদা অংশটি বাইরে এবং নীল অংশটি ভিতরে দিকে দিয়ে পরিধান করুন।

প্রত্যেক ক্ষেত্রেই নাকের অস্থি সংলগ্ন অংশে সুরক্ষা বেল্টটি ভালোভাবে চেপে দিন।

মনে রাখবেন, একটি মাস্ক একবারই ব্যবহার করবেন এবং ব্যবহার শেষে যেখানে সেখানে না ফেলে রোগ জীবাণু যেন না ছড়ায় সেভাবে কাগজের প্যাকেটে মুড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দিন।








Leave a reply