পর্যটন শিল্পে অনুমোদনের অপেক্ষায় ছাদখোলা বাস

|

এবার পায়ে হেঁটে নয়, দেশি বিদেশি পর্যটকদের সামনে সুযোগ এসেছে বাসের ছাদে বসেই প্রকৃতিকে আপন করে নেয়ার। আধুনিক বিশ্বের মতো দেশীয় পর্যটনেও যোগ হতে যাচ্ছে ছাদখোলা বাস। প্রাথমিকভাবে তিন জেলায় ছয়টি বাস নিয়ে এই সেবা চালু হতে পারে জানিয়ে পর্যটন করপোরেশন বলছে, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে মাঠে নামবেন তারা।

বাসের ছাদে বসে প্রকৃতির দর্শন। পাহাড়, সমুদ্র কিংবা শহরের ব্যস্ত রাস্তার মাঝ দিয়ে ছুটে চলা। গন্তব্য নির্দিষ্ট কোন পর্যটন স্থান হলেও ভ্রমণের পুরো সময়টাই নতুন অভিজ্ঞতা। যার দেখা মেলে শুধু উন্নত দেশগুলোতেই।

আশার কথা, এবার পর্যটক আর প্রকৃতির বন্ধনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে দেশে চালু হতে যাচ্ছে ছাদ খোলা বাস। এখন অপেক্ষা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের। যা পাওয়া গেলেই সিলেট, চট্টগ্রাম আর কক্সবাজারে একসঙ্গে দেখা যাবে ছয়টি ছাদখোলা বাস। এমনটাই জানালেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান রাম চন্দ্র দাস।

বাধাহীন যাত্রায় কক্সবাজারের কলাতলী থেকে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ধরে টেকনাফসহ বিভিন্ন স্পটের দর্শন পাবেন পর্যটকরা। আর চা-বাগান, হাওর, জলপ্রপাতসহ ছাদখোলা বাস সিলেটের চার জেলার নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের কাছে নেবে পর্যটকদের।

স্বাভাবিকভাবেই সরকারের এমন পরিকল্পনায় সন্তুষ্ট পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তবে, তাদের পরামর্শ রাস্তাঘাটের উন্নয়নেও যেন সব সময় সরকারের নজর থাকে।

করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে ইউরোপ থেকে আমদানির প্রস্তাব করা হয়েছে ৬ টি ছাদখোলা ক্যারাভান বাস। যার প্রত্যেকটির দাম হতে পারে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। আসন থাকবে ৪০ থেকে ৪৫ জনের। বাসে থাকবে ওয়াই-ফাই সংযোগ, আর ভ্রমণ গাইডও।








Leave a reply