দীর্ঘ দূরত্বের সম্পর্কে থেকে ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখবেন কীভাবে?

|

কোনও দূরের-সম্পর্কের মধ্যে থাকা মানে এটা স্পষ্ট যে, যখন তখন আপনি আপনার সঙ্গীর সাথে দেখা করতে পারবেন না। আর, দীর্ঘ দূরত্বের সম্পর্কগুলির ক্ষেত্রে যৌন জীবন বজায় রাখাও কিছুটা কঠিন হয়ে ওঠে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, আপনাদের সম্পর্কের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা থাকবে না।

বিশেষয়, যারা মানসিক বন্ধনের চেয়ে শারীরিক ঘনিষ্ঠতা পছন্দ করেন, তাদের ক্ষেত্রে সম্পর্ক বজায় রাখা ‘মিশন ইম্পসিবেল’-এর মতো। তবে, একে অপরের সঙ্গে মিষ্টি কথা বলা সম্পর্কের মাধুর্যতা বজায় রাখে এবং অনুভূতি বাড়িয়ে তোলে।

‘নমস্কে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প’! আমূলের রসিকতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা

অতএব, আমরা এখানে কিছু টিপস্ নিয়ে এসেছি যা দীর্ঘ দূরত্বের সম্পর্কগুলির মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। দেখে নিন সেগুলি –

১) প্রতিমুহূর্তে যোগাযোগ রাখুন
‘যোগাযোগ’ একটি সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। আপনি এবং আপনার সঙ্গীর মধ্যে দীর্ঘ দূরত্ব থাকলেও, আপনাদের সম্পর্কের জন্য একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আপনি যখন আপনার সঙ্গীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করবেন, তখন আপনাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে দূরত্বের বিষয়টি বিবেচিত হবে না। এছাড়াও, একে অপরের জীবনে কী ঘটছে তা আপনারা দুজনেই জানতে সক্ষম হবেন। এর ফলে আপনারা দুজনেই অনুভব করতে পারেন যে, দূরত্বটি আপনাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে না।

২) প্রযুক্তির সাহায্য নিন
দূরত্বের সম্পর্কের ক্ষেত্রে উত্তেজনা বাঁচিয়ে রাখার অন্যতম সেরা কৌশল ‘প্রযুক্তি’ হতে পারে। আজকাল এমন অনেক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি আপনার সঙ্গীকে ভিডিও কল করতে পারেন। এছাড়াও, একে অপরের সাথে ছবি এবং ছোট ভিডিও ক্লিপগুলি শেয়ার করতে পারেন। ফলে, শারীরিকভাবে দূরে থাকা সত্ত্বেও একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকতে সহায়তা করবে। সম্পর্কটিকে আরও দৃঢ় করার জন্য, আপনি অনলাইনে রোমান্টিক সিনেমাও দেখতে পারেন।

৩) ইমোশনাল সংযুক্তি স্থাপন করুন
সম্পর্কের মধ্যে অনুভূতি ধরে রাখার জন্য কেবল শারীরিক সংযোগ প্রয়োজন বলে যদি আপনি মনে করেন তবে আপনার ধারণা ভুল হতে পারে। কারণ, একটি দৃঢ় মানসিক সংযোগ কোনও সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। এর জন্য, আপনি আপনার সঙ্গীকে মানসিক সমর্থন প্রদান করতে পারেন। একে অপরের সমস্যাগুলি শেয়ার করুন এবং একসঙ্গে সমাধানগুলিও খুঁজে বার করুন। আপনি আপনার সঙ্গীকে তার ক্যারিয়ার এবং দৈনন্দিন জীবনে ক্ষেত্রে উৎসাহিত করতে পারেন। আপনারা যদি এইভাবে ইমোশনালি কানেক্টেড থাকেন তবে, আপনাদের মধ্যে সম্পর্কের সামঞ্জস্যতা বজায় থাকবে।

৪) সঙ্গীকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য হঠাৎই তার কাছে যেতে পারেন
দূরত্বের কারণে সবসময় দেখা না হলেও কিছু বিশেষ অনুষ্ঠানে একে অপরের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করতে পারেন। যেমন – আপনি আপনার সঙ্গীর জন্মদিনে বা আপনাদের বার্ষিকীতে তার সঙ্গে দেখা করতে পারেন। হঠাৎ তার কাছে পৌঁছে তাকে অবাক করে দিতে পারেন, এতে আপনার সঙ্গী বেশি খুশি হবে। সঙ্গীর সাথে দেখা করার সময় আপনারা নিজের ইচ্ছা এবং কল্পনাগুলি একে অপরের সঙ্গে শেয়ার করে নিতে পারেন।

কীভাবে আপনার সঙ্গীকে প্রথম দেখাতেই ইমপ্রেজ করবেন? দেখে নিন এর উপায়গুলি

৫) আপনার সঙ্গীকে একটু রাগাতে পারেন
মাঝে মাঝে ফ্লার্টি টেক্সট মেসেজ পাঠিয়ে একে অপরকে রাগাতে পারেন। পরবর্তী সময়ে দেখা হলে আপনি কী চান তা জানাতে পারেন। এছাড়াও, আপনি আপনার ইচ্ছা এবং কল্পনাগুলি প্রকাশ করার জন্য কিছু দুষ্টু ছবি এবং ভয়েস মেসেজ শেয়ার করতে পারেন।

৬) কল্পনাপ্রসূত জিনিসগুলি চেষ্টা করে দেখুন
আপনি যদি ভাবেন যে, একই বিছানায় থাকলেই শুধুমাত্র আপনি আনন্দ পাবেন, তবে তা সঠিক নয়। বরং আপনারা বিষয়গুলিকে কল্পনা করেও দূরত্বের প্রেমময় জীবনটি উপভোগ করতে পারেন। এর জন্য, আপনারা শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করতে পারেন।

যদিও দূর-সম্পর্কের ঘনিষ্ঠ হওয়া শক্ত তবে, আপনার সঙ্গীর সাথে এই বিষয়ে আলোচনা করতে পারেন। একবার আপনি নিজের সমস্যা, আবেগ, আকাঙ্ক্ষাগুলি শেয়ার করে নিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করলে বিষয়গুলি সহজ হয়ে উঠবে। এছাড়াও, আপনারা যতই দূরে থাকুন না কেন আপনাদের মধ্যে একটি দৃঢ় বন্ধন স্থাপন করতে সক্ষম হবেন।








Leave a reply