একটানা এসি ব্যবহারের যত কুফল

|

বিজ্ঞান আশীর্বাদ না অভিশাপ, এই বিতর্ক বহু পুরনো। তবে অনেকেই বিজ্ঞানের কিছু কিছু আবিষ্কার নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। কিন্তু তবুও থেমে নেই বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা। আধুনিক বিজ্ঞানের অনেক দরকারি একটি আবিষ্কার হল এসি। খুবই স্বল্প সময়ে আমাদের শীতল করে দেয়। গরমের অস্থিরতা থেকে মুক্তি দেয়। কিন্তু এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারেরও কুফল রয়েছে। একটানা ব্যবহারে অনেক সময় ক্ষতি হয়। নানা সমস্যার আশঙ্কা বেড়ে যায়। তাই চলুন জেনে নেই এয়ার কন্ডিশনারের নানাবিধ কুফল সম্পর্কে।

রোগের প্রকোপ

অতিরিক্ত এসির ব্যবহার রোগের প্রকোপকে বাড়িয়ে দিতে পারে। যারা টানা ৯-১০ ঘণ্টা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে কাটান। তাদের মধ্যে আর্থাইটিস, ব্লাড প্রেসার বা নানা ধরনের স্নায়ুর সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

মাথা ব্যথা

এসি ঘরে থাকার সব থেকে বড় সাইড এফেক্ট হলো মাথাব্যথা। বেশিক্ষণ এসির ঘরে থাকার পর মাথাব্যথা বেড়ে যায়। এসি রুমে বেশি সময় থাকলে অনেক বেশি ডিহাইড্রেটেড হতে হয়। এসি ঘরের মধ্যে থেকে সব আর্দ্রতা শুষে নেয়।

ক্লান্তি লাগা

ঘর বা অফিসের এসি এমনভাবে থাকে যাতে শরীর ঠাণ্ডা হয়। কিন্তু গবেষণায় জানা যায়, যেসব বড়িতে বা অফিসে এসি চলে। তারা সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন। যারা নিয়মিত এসি রুমে থাকেন। তারা শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যায় পড়েন বলেও জানা গেছে। সাধারণত গরমকালে এসির ব্যবহার বেশি হয়। এই সময় সূর্যের এক্সপোজার অনেক বেশি থাকে। এর ফলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়।

অ্যাজমা ও এলার্জি

দীর্ঘ সময় এসি রুমে থাকলে অ্যাজমা ও অ্যালার্জি বেড়ে যেতে পারে। এসি পরিষ্কার না করলেও অ্যালার্জির প্রবণতা বেড়ে যায়। দীর্ঘসময় এসি ঘরে থাকলে চোখ শুষ্ক হয়ে যায়। এর ফলে চোখ কড়কড় করবে বা চুলকাবে। চোখ জ্বালাও করতে পারে।

সংক্রামক ব্যাধি

দীর্ঘ সময় এসিতে থাকার ফলে নাকের প্যাসেজ ড্রাই হয়ে যায়। তার ফলে মিউকাস মেমব্রেনে ইরিটেশন হতে পারে বা মিউকাস শুকিয়ে যেতে পারে। এর ফলে ভাইরাস সহজেই শরীরে প্রবেশ করতে পারে।








Leave a reply