উড়তে উড়তে হঠাৎ করেই নিচে নেমে আসে এই বিষাক্ত ‘উড়ন্ত’ সাপ

|

উড়ন্ত সাপ খুব কম দেখা যায় ৷ এই ধরণের সাপ দারুণ বিষাক্ত হয় আর তার জন্যেই তাঁরা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর হয় ৷ এদের কোনও পাখা বা ডানা না থাকলেও এরা বেশ ভালোই উড়তে পারে ৷ বিজ্ঞানীরাও খুঁজে বার করলেন ঠিক কী ভাবে আকাশে উড়তে পারে এই ধরণের বিষাক্ত সাপ ৷ প্যারাডাইস ট্রি স্নেক বা ক্রিসোপেলিয়া প্যারাডিসি প্রজাতির সাপ গাছের এক ডাল থেকে অন্য ডালে দারুণ সহজেই উড়ে যায় ৷ কখনও কখনও উড়তে উড়তে এই সাপ মাটিতেও হঠাৎ করে নেমে আসে৷

এই প্রজাতির সাতটি সাপ নিয়ে পড়াশুনো করা হয়েছে ৷ এদের গতিবিধি হাইস্পিড ক্যামেরায় রেকর্ড করে এই স্টাডি করা হয়েছে ৷ এই স্টাডি ফিজিক্স জার্নলে প্রকাশিত হয়েছে ৷ এই অধ্যয়নের কাজ করেছেন ভার্জিনিয়া টেক -এ -র প্রফেসাররা ৷ সহজ ভাষায় শরীরকে সোজা করে যখন তখনই সে বাতাসে ভাসিয়ে দিতে পারে ৷ এরপর শরীর যখন বেঁকে বেঁকে চলতে শুরু করে তখনই তারা শরীর হাওয়ায় ভাসাতে পারে ৷

ই প্রজাতির সাতটি সাপ নিয়ে পড়াশুনো করা হয়েছে ৷ এদের গতিবিধি হাইস্পিড ক্যামেরায় রেকর্ড করে এই স্টাডি করা হয়েছে ৷ এই স্টাডি ফিজিক্স জার্নলে প্রকাশিত হয়েছে ৷ এই অধ্যয়নের কাজ করেছেন ভার্জিনিয়া টেক -এ -র প্রফেসাররা ৷ সহজ ভাষায় শরীরকে সোজা করে যখন তখনই সে বাতাসে ভাসিয়ে দিতে পারে ৷

উড়ন্ত সাপের আবার ২ ধরণের ওড়ার প্রক্রিয়া হয় ৷ একটি বড় Amplitude -এ চলা যাতে Horizontal wave এ হয় আবার ছোট Amplitude এ চলা যাতে Vertical wave হয় ৷ এই দুটি মুভমেন্ট এই সাপগুলি একসঙ্গে করতে পারে তারাই আকাশে নিজের শরীর উড়িয়ে দিতে পারে ৷ এই সাপ এটা খুব দ্রুত করতে পারে ৷ আর এটা এত তাড়াতাড়ি হয় সেটা খালি চোখে দেখা অসম্ভব ৷ এই জন্যে হাইস্পিড ক্যামেরায় দেখতে পাওয়া যায় ৷

উড়ন্ত এই সাপের শরীরের পিছনের দিকটা এক অদ্ভুতভাবে ওপর নিচ করতে থাকে ৷ বিজ্ঞানীদের কথা অনুযায়ী Amplitude ছাড়া এই কাজ সম্ভব হয় না ৷ এটা ঠিকভাবে না হলে তারা উড়তে উড়তে পড়ে যায় ৷ ক্রিসোপোলিয়া প্রজাতির সাপ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে যেমন ভারত, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ চিন, ফিলিপিন্স পাওয়া যায় ৷ এর বিষ জীবনহানিকারক নয় ৷








Leave a reply