স্থায়ীভাবে ফর্সা ত্বক পেতে জানুন দুটি প্রাকৃতিক উপায় সম্পর্কে

|

নিজের সৌন্দর্য বাড়ানোর চেষ্টা নারীদের যুগ যুগ ধরেই চলে আসছে। সৌন্দর্য সচেতন যারা তারা নিজেকে অন্যের কাছে আরো বেশি আকর্ষণীয় করে তোলার কোনো চেষ্টাই ত্রুটি রাখেন না।
বর্তমানে নানা ব্যস্ততার জন্য মানুষ নিজের যত্ন নেয়ারই সময় পায় না। যদিও অনেকেরই কাম্য ফর্সা সুন্দর ত্বকের। তবে রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, শারীরিক অসুস্থতা, দীর্ঘসময় রান্নাঘরে কাজ করা ইত্যাদি নানান কারণে ত্বক তার স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা হারিয়ে ফেলে। হয়ে যায় কালচে ও বিবর্ণ। অনেকেই ফর্সা হওয়ার আশায় বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করেন। তবে তা স্থায়ীভাবে ফর্সা ত্বক দেয় না।

তাইতো প্রাকৃতিক উপায়ে এবং ঘরোয়াভাবে গায়ের রঙ ফর্সা করার রয়েছে সহজ উপায়। শুধু তাই নয়, এই ফর্সা রঙটা হবে স্থায়ী। কারণ সৌন্দর্য সেটাই, যা ভেতর থেকে আসে। চলুন জেনে নেয়া যাক প্রাকৃতিকভাবে রঙ ফর্সা করার দুটি পদ্ধতি-

দুধ ও কাঁচা হলুদ

রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। প্রতিদিন এক গ্লাস উষ্ণ গরম দুধে আধা চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে পান করুন। চাইলে এর সঙ্গে মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন। নিয়মিত হলুদ মেশানো দুধ পান করলে আপনার রঙ হয়ে উঠবে ভেতর থেকে ফর্সা।

দুধে কাঁচা হলুদ বাটা না মিশিয়েও আরেকটি কাজ করতে পারেন। দেড় ইঞ্চি সাইজের এক টুকরো হলুদ নিন। তারপর টুকরো করে কেটে এক গ্লাস দুধে দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। দুধ গাঢ় হলুদ রঙ ধারণ করলে পান করুন। এভাবে প্রতিদিন একবার করে পান করতে থাকুন। ফলাফল নিজেই দেক্তে পাবেন।

কাঁচা হলুদ

শুধু দুধের সঙ্গে নয়, বাহ্যিক রূপচর্চাতেও হলুদ আপনার রঙ ফর্সা করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে কালচে ছোপ দূর করতে এই পদ্ধতি খুব কার্যকর। দুধ ৩ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, এবং কাঁচা হলুদ বাটা ১ চা চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ বা পেস্ট তৈরি করুন। সারা মুখে এই পেস্ট ভালভাবে লাগিয়ে প্যাকটি শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানিতে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। এবার নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুখ মুছে নিন।

মনে রাখবেন, গরম পানিতে মুখ ধোবেন না এবং অন্তত ১২ ঘণ্টা রোদে যাবেন না। দেখবেন নিয়মিত ব্যবহারে আপনার ত্বকের রঙ হয়ে উঠবে ফর্সা, কোমল, দাগমুক্ত ও সুন্দর। তাহলে আর দেরি কেন? বাড়িতে বসে প্রাকৃতিক উপায়ে নিজে থেকে হয়ে উঠুন ফর্সা, সুন্দর।








Leave a reply