সোনা রুপো পরে কেন অহেতুক বিপদ ডেকে আনবেন?

|

ষষ্ঠী থেকে দশমী কোন দিন কোন পোশাক পরবেন সেটা তো ভেবেই ফেলেছেন। কিন্তু কোন দিন কোন গয়না পরবেন ভেবে দেখেছেন কি? সঠিক পোশাকের সঙ্গে মানানসই গয়না বদলে দিতে পারে আপনার সম্পূর্ণ সাজ। করোনা আবহে পুজো হলেও ফ্যাশনের সঙ্গে বিন্দুমাত্র আপস নয়। কী ধরনের গয়না এ বারের পুজোয় পরতে পারেন আপনি? বাঙালি সাজ হোক কিংবা পশ্চিমী, কাঠ কিংবা সেরামিকের গয়না এ বারের পুজোর ফ্যাশনে ‘ইন’ হতে চলেছে।

গয়নার মধ্যে নাকি স্বপ্ন বোনা থাকে এমনই বলেন অনেকে। সেই স্বপ্নের মায়া ধরে শুধুমাত্র অন্য রকম গয়নার চমকে এই পুজোতে আলোড়ন তুলতে পারেন আপনি। মুখে মাস্ক থাকলেও গলায় একটা লম্বা হার, কানে ঝোলা দুলেই অনন্যা হয়ে উঠুন এই পুজোয়।

কাঠ বা সেরামিকই কেন?
প্রিয় কোনও কবিতার লাইন কিংবা মজাদার কোনও লেখা দুল কিংবা হারে থাকলে তা নজর কাড়তে বাধ্য। এ ছাড়াও কাঠ বা সেরামিকের গয়না স্যানিটাইজ করে নেওয়া যায় সহজেই।কোনও নারী এক্কেবারে সাজগোজ পছন্দ করেন না, শুধু পুজোর দিনেই একটু অন্যরকম গয়না পরতে চান। কোনও নারী ব্যস্ত কেতাদুরস্ত কর্পোরেট জগতে। কারও পছন্দ একটু ভারিক্কি গয়না। আবার অন্য জনের পছন্দ দেশি বিদেশি সংস্কৃতি মেলানো আধুনিক কিন্তু সাবেকী গয়না, তাই নিজের ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী গয়না পছন্দ করতে হবে সব সময়।

এ জাতীয় গয়নার মধ্যে দেশজ সংস্কৃতির প্রতি ভালবাসার একটা ব্যাপার আছে। আর পুজো মানেই সনাতনকে ফিরে দেখা, এমনই মত ডিজাইনারদের। মাটি কিংবা সেরামিকের গয়নার ক্ষেত্রে শিল্পীর একটা নিজস্বতা থাকে, সাজেও সেই নিজস্বতা ফুটে ওঠে। সেরামিকের সঙ্গে কোনও কোনও দুল কিংবা হারের সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছে সুতোর কাজ। সবমিলিয়ে বঙ্গ তনয়ার সাজেও তাই মাটির গন্ধ থাকুক না হয় এ বারের পুজোতে।

গয়না বাছার ক্ষেত্রে কী কী মনে রাখতে হবেঃ ভারী গয়না বা হার পরলে সেটা যেন বড় হয়। গলায় আটকে থাকে এমন কোনও হার না পরাই ভাল।লম্বা দুল ফ্যাশনে এ বার ‘ইন’। আংটি এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। কারণ অনেকেরই হাতে ডিজাইনার গ্লাভস থাকতে পারে। সুতির ফ্রকের সঙ্গে কাঠ-সেরামিক বিডসের অ্যাঙ্কলেট পরতে পারেন। পুরুষরাও পিছিয়ে থাকবেন কেন, সেরামিকের রিস্ট ব্যান্ডও পরতে পারেন তাঁরা।








Leave a reply