সিলিন্ডারে আর কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে কিভাবে বুঝবেন? জেনে নিন উপায়

|

রান্না করছেন মনের আনন্দে। হটাত আপনার সিলিন্ডার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করল। আপনার সাধের রান্নার তখন ১২ টা ৫! এই পরিস্থিতির সম্মুখীন আমরা কিন্তু অনেকেই হয়েছি। শারীরিক বিভিন্ন অসুবিধার জন্য সবসময় সিলিন্ডার টেনে আনা সম্ভব হয়ে ওঠে না। একান্নবর্তী পরিবারতো আজকাল আর নেই। তাই দরকারের সময় সহৃদয় কোনো ব্যাক্তি এসে গ্যাস লাগিয়ে উপকার করবেন এমন আশা না রাখাই ভালো।

অনেকেই হিসেব অনুযায়ী সিলিন্ডার খরচ করতে পছন্দ করেন। যখন তখন শেষ হতে পারে আপনার সিলিন্ডার। দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে সকলের বাড়িতেই থাকে আজকাল ডবল সিলিন্ডারের ব্যাবস্থা। তবু মুস্কিল আসান হয় কি? আগে থেকে যদি জানা যায় সিলিন্ডার শেষের সময়, তাহলে সকলেরই সুবিধা হয়। অনেকে হাতে সিলিন্ডার তুলে বোঝার চেষ্টা করেন কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রেও আমাদের অনুমানের ওপর নির্ভর করতে হয়। হাতে ধরে কখনই স্থির অনুমান করা সম্ভব নয়।

আমাদের এই মুস্কিল আসানের গুরুদায়িত্ত্ব তুলে নিয়েছে মধ্যপ্রদেশের এক অধ্যাপক তার কাঁধে। তার নাম বিজেন্দ্র রায়। তিনি এক উপায় বের করেছেন যার দ্বারা নির্ভুলভাবে বোঝা যাবে আপনার সিলিন্ডারের আয়ু মোটামুটি আর কতদিন। আসুন বুঝে নেয়া জাক সেই পদ্ধতি যা আমাদের নিত্য দিনের সমস্যার সমাধান করবে। গ্যাস কতটা আছে তা বোঝার জন্য প্রথমে ভিজে কাপড় দিয়ে সিলিন্ডারটিকে ভালো করে মুছে নিন। এমনভাবে সবসময় মুছুন, যাতে সিলিন্ডারের গায়ে কোনও ধুলোর প্রলেপ না থাকে। মোছা শেষ হলে সাথে সাথেই দেখবেন সিলিন্ডার শুকোতে শুরু করেছে।

দু’-তিন মিনিট পরে খেয়াল করলে দেখবেন সিলিন্ডারের কিছুটা ভাগের জল ভাব শুকিয়ে গিয়েছে, কিন্তু বাকি অংশ তখনও ভিজে রয়েছে। সেই অংশ শুকোতে তুলনামুলক ভাবে বেশি সময় লাগছে। অধ্যাপক রায় জানাচ্ছেন যে সিলিন্ডারের যে অংশটা শুকোতে বেশি সময় নিচ্ছে, সেই অংশের মধ্যেই অবস্থান করছে গ্যাস। আর যে অংশটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে গিয়েছে, সিলিন্ডারের সেই অংশটি খালি! প্রফেসর বিজ্ঞান্সম্মত ভাবে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন, – যেখানে তরল কিছু থাকে, সেখানকার তাপমাত্রা খালি জায়গার তুলনায় একটু কমই হয়। ফলে সিলিন্ডারের যে অংশটুকুতে গ্যাস রয়েছে, সেই অংশটি শুকোতেও অনেক বেশি সময় লাগে।








Leave a reply