সারা রাত না ঘুমিয়ে পরের দিন কাজের শক্তি পাবেন যেভাবে?

|

অনেক রাত পর্যন্ত পার্টি, কাজের চাপ , কোন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি কিংবা মানসিক চাপে অনেকসময় সারা রাত না ঘুমানোর ঘটনা ঘটতেই পারে।কিন্তু রাতে ঘুম না হলে সারাদিন শরীর ক্লান্ত লাগে, ঝিম ঝিম ভাব হয়। এদিকে আবার পরদিন অফিস আছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে নিদ্রাহীন রাতের পরদিন চাঙ্গা থাকার বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে। যেমন-

ভরপুর ব্রেকফাস্ট আপনার ঝিম ঝিম কিংবা মাথা ঘোরানো ভাব দূর করবে। সেই সঙ্গে মুডও ভাল রাখবে। তবে ব্রেকফাস্টে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার খাবেন না। বরং শস্য এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি খান।এগুলো আপনাকে বাড়তি শক্তি জোগাতে সাহায্য করবে।

বসের কাছে অফিস শেষ হওয়ার আধঘন্টা আগে বের হবার অনুমতি নিন। বাড়িতে একটু আগে ফিরতে পারলে কিছুক্ষন বিশ্রাম নিতে পারবেন। তখন শরীরও ঠিক লাগবে।

দুপুরের খাবারটা সময় মতো খান। এ সময় শাকসবজি, মুরগীর মাংস, শস্য জাতীয় খাবার খেতে পারেন। দুপুরেও চিনি জাতীয় খাবার পরিহার করুন।

আপনি হয়তো সারারাত ঘুমাননি কিন্তু ঘড়ির অ্যালার্মটা নিয়মিত সময়েই বেজে ওঠেছে তখন আলসেমি করে শুয়ে না থেকে বিছানা থেকে উঠে পড়ুন। কারণ আপনি বেশি সময় শুয়ে থাকলে শরীরে আরও অলসতা ভর করবে।

ভরপুর নাস্তা আপনার ঝিম ঝিম কিংবা মাথা ঘোরানো ভাব দূর করবে। সেই সঙ্গে মুডও ভাল রাখবে। তবে নাস্তায় অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার খাবেন না। বরং শস্য এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি খান।এগুলো আপনাকে বাড়তি শক্তি জোগাতে সাহায্য করবে।

ভোরের আলোতে বের হয়ে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিন। সকালের আলো-বাতাস আপনার মন ঠিক করতে ভূমিকা রাখবে।

কাজ শুরুর আধ ঘণ্টা আগে এক কাপ কফি খেতে পারেন। এটা আপনার শরীর চাঙ্গা করতে সাহায্য করবে।

অফিসের কঠিন কাজগুলো আগেভাগে সেরে ফেলুন। তাহলে পরের কাজগুলোও দ্রুত সারতে পারবেন।

দুপুরের খাবারটা সময় মতো খান। এ সময় শাকসবজি, মুরগীর মাংস, শস্য জাতীয় খাবার খেতে পারেন। দুপুরেও চিনি জাতীয় খাবার পরিহার করুন।

যেহেতু সারা রাত আপনার ঘুম হয়নি সে কারণে দুপুরের পর থেকে আবারও ক্লান্তি লাগলেই পারে। প্রয়োজনে তখন আরেক কাপ কফি পান করুন।








Leave a reply