শীতের মৌসুমে ‘গারাডু ‘ খাওয়া উপকারীতা

|

গারাডু একটি বিশেষ শাকসব্জি, যা ভারতের অনেক জায়গায় পাওয়া যায় তবে এটি মধ্য প্রদেশে সবচেয়ে বেশি খাওয়া হয়। গারাডু ভাজা এবং চাট দিয়ে তৈরি, যা মসৃণতা এবং খাসক্ততার কারণে খুব সুস্বাদু। শীতের সময় গরম গারাদু চাট খাওয়া বেশ উপভোগ্য। সাধারণত এই শাকসব্জি শীতে আসে এবং এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী হিসাবে বিবেচিত হয়। গারাডুর প্রভাবও গরম, তাই এটি শীতের জন্য সেরা খাদ্য হিসাবে বিবেচিত হয়। আসুন আমরা আপনাকে শীতল আবহাওয়ায় গারাদু খাওয়ার ৪  টি বড় সুবিধা বলি।

ফাইবার সমৃদ্ধ

গারাডুতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে তাই এটি পেটের পক্ষে খুব উপকারী। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণের ফলে অন্ত্রের ময়লা পরিষ্কার হয় এবং খাবারটি হজম হয়। তাই গারাডু খেলে আপনার হজম সম্পর্কিত সমস্যা যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম, বদহজম, গ্যাস ইত্যাদি দূর করে গারাডু  খাওয়া আপনার  পেট ভাল করে দেয়।

প্রচুর পুষ্টি পান

গারাডু সম্পর্কে খুব কম জানা যায়, তবে এই শাকসব্জী অনেক পুষ্টিতে পূর্ণ। গারাডুতে ক্যালসিয়াম, আয়রন, তামা, ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস ইত্যাদি উপাদান প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। এই সমস্ত উপাদানগুলি আপনাকে স্বাস্থ্যকর রাখতে এবং শরীরকে অনেকগুলি রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়ক।

গারাডুতেও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে, তাই এটি আপনার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এ ছাড়া ক্যালসিয়াম হওয়ায় এটি হাড় ও দাঁতের জন্য উপকারী। শ্বেত রক্ত কণিকা গ্রহণের কারণে শরীরে বৃদ্ধি পায়, তাই এটি আঘাত এবং ক্ষতটি দ্রুত নিরাময়ে সহায়তা করে।

মস্তিষ্কের জন্যও উপকারী

গারাডু বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলিতে সমৃদ্ধ, যা আপনাকে মন এবং শরীরের বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টগুলি হ’ল উপাদানগুলি যা দেহে জারণ প্রক্রিয়াটি ধীর করে দেয়, আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে অল্প বয়সী রাখে এবং ক্যান্সার, টিউমার, কার্ডিওভাসকুলার রোগগুলি এড়িয়ে চলে।








Leave a reply