যে ৬ খাবার লিভারকে রাখে সুস্থ

|

শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে লিভারকেও সুস্থ রাখতে হবে। কিন্তু সম্প্রতিতে দেখা গেছে, আমাদের দেশে মাত্রাতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে লিভারের অসুখ। তবে এর মূল কারণ হচ্ছে অতি স্থুলতা। মূলত শরীরে মেদ জমতে থাকলে ধীরে ধীরে লিভারের কর্মক্ষমতাও কমে যায়। ফলে শরীরে উপস্থিত বিষ বা টক্সিক উপাদান ঠিকমতো বেরতে পারে না, সেই সঙ্গে রক্তে শর্করার মাত্রাও বাড়তে শুরু করে। তাই লিভারের কর্মক্ষমতা ঠিক রাখতে কিছু খাবার বিশেষ ভূমিকা রাখে।

তাহলে চলুন যে ৬ খাবার লিভারকে কার্যক্ষমতা বাড়িতে তোলে সেগুলো জেনে নেওয়া যাক-

১) বিট : শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকারক কার্সিনোজেনের কারণে অনেক সময়ই লিভার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ফলে লিভার বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই লিভারকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত বিটের রস খাওয়া অত্যন্ত জরুরী। আসলে বিটের ভিতরে উপস্থিত বিটালেনস নামক একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি দেহের ভিতরে জমতে থাকা ক্ষতিকর উপাদানদের বের করে দিতে সাহায্য করে।

২) রসুন : বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত সকালবেলা খালি পেটে এক কোয়া করে রসুন খাওয়া শুরু করলে লিভারের ভিতরে উপস্থিত থাকা টক্সিক উপাদানকে বের করে দেয়। ফলে লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়তে সময় লাগে না। রসুনের ভিতরে উপস্থিত অ্যালিসিন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, সেক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৩) ব্রকলি : ব্রকলিতে উপস্থিত আইসোথিয়োসায়ানেট নামক উপাদান শরীরের ভিতরের প্রদাহের মাত্রা কমানোর পাশাপাশি লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। গবেষকদের করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, ‘নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার’ এর মতো রোগকে দূরে রাখতে ব্রকলির কেনও বিকল্প হয় না। তাই লিভারকে যদি সুস্থ রাখতে হয়, তাহলে সপ্তাহে তিনদিন ব্রকলি খেতে ভুলবেন না।

৪) পাতি লেবু : পাতিলেবুতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বায়োফ্লেবোনাইডস। এই উপাদানগুলি লিভারকে পরিষ্কার করার পাশাপাশি শরীরের ভিতরে থাকা অক্সিডাইজ যাতে বেশি মাত্রায় ড্যামেজ না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে।

৫) কাঁচা আম : কিছু গবেষণায় দেখে গাছে, শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে কাঁচা আমের কোনও বিকল্প হয় না। শুধু তাই নয়, লিভার এবং গল ব্লাডারের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও এই ফলটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৬) গাজর : গাজরে ক্যারোটিনয়েড নামে একটি অতি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা টক্সিক উপাদনদের কোনও অঙ্গের ধারে কাছে যেতে দেয় না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শুধু লিভার নয়, কোনও অঙ্গেরই ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

সূত্র : বোল্ডস্কাই।








Leave a reply