যত্ন নিন নাকের ত্বকের

|

মুখের ত্বকের যত্ন তো কম বেশি সব সময়েই নেয়া হয়। কিন্তু খুব খেয়াল না করা হলেও মুখের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো নাক ও এর ত্বক। দেখা যায় মুখের অন্য স্থানগুলো ঠিকই বেশি উজ্জ্বল থাকে কিন্তু নাকের দুই ভাঁজ কালো ও ব্রণ এবং পুরো নাকে ব্রণ, র‍্যাশ, লাল হয়ে যাওয়া, প্যাচ, হোয়াইট হেড্স হয়।

নাকের দুই পাশে যে ড্রাইনেস, ফাটা চামড়া ওঠা, লালচে ভাব দেখা যায়, তার মূল কারণ আবহাওয়া। শীত বা ঠাণ্ডায় এই ধরনের সমস্যা বাড়ে। শুষ্ক নাক খুব সাধারণ একটা সমস্যা, যা বহু মানুষের সারাবছর জুড়ে দেখা যায়। আর আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় আরো বাড়ে। কীভাবে নাকের যত্ন নেবেন, রইল কয়েকটি পরামর্শ।

প্রথমে হালকা গরম পানি নিয়ে নাকটা ভিজিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। এবার একটা ভেজা নরম কাপড় দিয়ে হালকা করে ঘষুন। আবার খালি হাত ছাড়াও স্ক্রাবার আঙুলে নিয়ে ঘষা যেতে পারে।

চালের গুঁড়ো অথবা চিনি, সঙ্গে পাকা কলা চটকে নিয়ে নাকে ঘষতে পারেন। আবার বাজারে পাওয়া স্ক্রাবার নিতে পারেন।

কোনো ক্ষার সাবান মুখে বা নাকের অংশে না ব্যবহার করাই ভাল। তার পরিবর্তে মাইল্ড ফেসওয়াশ বা ক্লেনজার ব্যবহার করতে পারেন।

অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সোপ, কড়া সুগন্ধী বা অ্যালকোহল যুক্ত ক্লেনজারও এড়িয়ে চলুন। নাক টাওয়েল দিয়ে চাপ দেয়ার মতো করে মুছুন।

এবার একটা বরফের টুকরো পাতলা কাপড় মুড়ে নাক এবং চারপাশটা হালকা করে লাগান। সরাসরি বরফ নাকে দেবেন না। এরপর ময়েশ্চারাইজিং করতে হবে।

প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ভাল ত্বকের জন্য। সূর্যমুখী বীজের তেল, সঙ্গে ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে নাক ম্যাসাজ করলে ভাল ফল পাবেন।

খাঁটি মধু খুব ভাল নাকের শুষ্ক ত্বকের জন্য। মধুতে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টি, যা নাকের ত্বকের ময়েশ্চারকে লক করে রাখতে সাহায্য করে।

ময়েশ্চারাইজার দিনে ২,৩ বার লাগাতে হবে যতদিন পর্যন্ত না ত্বকের শুষ্কতা চলে যায়। রাতে ঘুমানোর আগে পেট্রোলিয়াম জেলি জাতীয় ঘন কিছু লাগিয়ে নিলে উপকার পাবেন।








Leave a reply