বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচার সহজ উপায়

|

বৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস বার্তা দিয়েছে। সমুদ্রবন্দরকে দিয়েছে সতর্কতা সংকেত। কিন্তু আপনার কোনো ছাতা নেই, রেইনকোট থাকার তো প্রশ্নই ওঠে না। তার পরও একদিন কীভাবে বৃষ্টি থেকে নিজেকে বাঁচাবেন, জানাচ্ছেন নূর সিদ্দিকীআকাশটা মেঘলা হওয়ার আগেই আপনাকে যেতে হবে বাজারে। পকেটে কিছু টাকা নিন বাসা থেকে বের হওয়ার সময়। ছাতার দোকানের সামনে গিয়ে দাঁড়ান। বিভিন্ন রঙের ছাতা দেখুন। বিদেশি ছাতার ডাঁটগুলো ছোট বলে নেবেন না। দেশি ছাতাগুলো থেকে যেকোনো একটা বেছে নিন। দরদাম করুন। সিদ্ধান্ত ফাইনাল করুন। দোকানিকে বলুন, ‘দাঁড়ান, মাছের বাজারটা ঘুরে আসি।’ এবার মাছের বাজারে গিয়ে ইলিশ বা আপনার প্রিয় মাছ কিনুন। আবার ছাতার দোকানের সামনে যান। পছন্দ করা ছাতাটি আবার ভালো করে যাচাই করুন। রেইনকোটও দেখতে পারেন এই সুযোগে। পাতলা রেইনকোটই তুলনামূলকভাবে ভালো। গোলাপি রঙেরটা বাদ দিয়ে যেকোনোটার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসুন। এখন ভাবুন কোনটা নেবেন। ছাতা না রেইনকোট। দ্রুত করতে হবে, বৃষ্টি নামতে পারে যখন-তখন। সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না, তাই তো? ঠিক আছে, বাসায় চলে যান। স্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করুন। এ সময় নামল বৃষ্টি। আর আপনার স্ত্রী রান্না করেছে খিচুড়ি ও ইলিশ মাছ। খেয়ে নিন পেট পুরে। আবারও ভাবুন, কোনটা কিনবেন—ছাতা না রেইনকোট। বসে ভাবলে হবে না, শুয়ে শুয়ে ভাবুন। কাঁথাটা টেনে নিন। কারণ, শীত-শীত লাগছে। চোখ বন্ধ করে ছাতা আর রেইন কোটের রং নিয়ে একটু ভাবুন। ভাবতে থাকুন। নাহ্, হচ্ছে না। সিদ্ধান্তে আসা খুব কঠিন—ছাতা না রেইনকোট? ধুত্তোরি, ঘুমিয়ে পড়ুন তো। এমন চমৎকার আবহাওয়ায় কি জেগে থাকা যায়? এরপর আপনার যখন ঘুম ভাঙল, তখন বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে। তাতে আপনার কী। আপনি তো আর বাইরে যাচ্ছেন না, বৃষ্টি হলেই কি আর না হলেই কি। বৃষ্টি কি পারল আপনাকে ভিজিয়ে দিতে?








Leave a reply