নোনা ইলিশ যেভাবে তৈরি ও সংরক্ষণ করবেন

|

নোনা ইলিশ খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। চমৎকার নোনা স্বাদের ইলিশ ভর্তা কিংবা তরকারি খেতে খুবই সুস্বাদু। নোনা ইলিশ তৈরি করে ফেলতে পারেন নিজেই। এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করে খেতে পারবেন ইলিশের শুঁটকি বা নোনা ইলিশ। জেনে নিন পদ্ধতি।

যেকোনো সাইজের ইলিশ দিয়েই করে ফেলতে পারেন নোনা ইলিশ। মাছের আঁশ ফেলে দিন প্রথমে। তারপর টুকরো করে নিন ইলিশ। ভালো করে ধুয়ে লবণ দিয়ে মাখিয়ে ১ ঘণ্টার জন্য রেখে দিন ইলিশের টুকরা। ১ ঘণ্টা পর আবারও ধুয়ে কিচেন টাওয়েল দিয়ে চেপে চেপে মুছে নিন।

মোটা দানার লবণের সঙ্গে ১ থেকে ২ চা চামচ হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে নিন। নির্দিষ্ট একটি পাত্রে রাখতে হবে মাছের টুকরা। মাটির হাঁড়ি কিংবা প্লাস্টিকের মুখবন্ধ বাটিতে রাখতে পারেন মাছ। পাত্রের নিচে খানিকটা লবণ-হলুদের মিশ্রণ ছিটিয়ে দিন। বাকি লবণ-হলুদের মিশ্রণ দিয়ে মাছের টুকরা মেখে নিন ভালো করে। লেজটা একটু চিড়ে দিতে পারেন।

এতে ভেতরে লবণ প্রবেশ করবে। সব টুকরা ভালো করে মেখে নেওয়া হলে পাত্রে দিয়ে দিন। কয়েকটি টুকরা বিছিয়ে উপরে আরও খানিকটা লবণ-হলুদের মিশ্রণ ছিটিয়ে দিন। তারপর আবার মাছের টুকরা দিন। একদম উপরে পর্যাপ্ত লবণ-হলুদের মিশ্রণ দিয়ে ঢেকে দিন মাছ। হাঁড়ি হলে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দেওয়ার পর ফয়েল বা প্লাস্টিকের পলি দিয়ে হাঁড়ির মুখ বেঁধে নেবেন। মুখবন্ধ বাটি হলে আর এটির প্রয়োজন নেই। এভাবে রেখে দিন রুম টেম্পারেচারে।

কয়েকদিন পর পর ঢাকনা খুলে দেখতে হবে পানি উঠেছে কিনা। পানি উঠলে সেটি ফেলে দিয়ে আবার রেখে দিন। এভাবে ১৫ থেকে ২০ দিন পর্যন্ত রাখুন। ১৫ দিন পর আরেকটি পাত্রে লবণ বিছিয়ে উপরে মাছের টুকরা দিয়ে আগের মতো লবণ দিয়ে ঢেকে দিন। এবার আর হলুদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কয়েকদিন পর পর পানি ফেলে ১ মাস থেকে ২ মাস পর্যন্ত এভাবে রাখুন। ২ মাস পর মাছ পুরোপুরি মজে গেলে নরমাল ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারবেন পুরো বছর।








Leave a reply