ঘুমের ওষুধ নয়, পাতে রাখুন ৬ খাবার

|

আপনারা অনেকেই ঘুমের সমস্যায় ভুগেন। যতই ঘুমাতে চান না কেন কিন্তু কিছুতেই ঘুম আসে না। আর ঘুম না আসলে তখনেই নির্ভর করতে হয় ঘুমের ওষুধে। কিন্তু এতে আমাদের শরীরে মারাত্মক ক্ষতি হয়।

তবে কিছু সাধারণ খাবারে এর সমাধান মিলতে পারে। হতে পারে আপনার ঘুমের ওষুধের বিকল্প। এগুলোর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। তাই ঘুমের সমস্যা হলে নির্ভয়ে খেতে পারেন এই সব খাবার। জেনে নিন তেমনই কিছু খাবারের কথা-

পাকা কলা

কলা খেলে রাতে ভাল ঘুম হয়। কলাকে ঘুমের ওষুদের বিকল্পও বলা যেতে পারে। কলায় আছে ম্যাগনেসিয়াম যা মাংসপেশীকে শিথিল করে। এছাড়াও কলা খেলে মেলাটোনিন ও সেরোটোনিন হরমোন নির্গত হয়ে শরীরে ঘুমের আবেশ নিয়ে আসে। তাই যাদের ঘুম হয় না, তারা রাতের খাবারের সঙ্গে কলা রাখতে পারেন।

হালকা গরম দুধ

হালকা গরম দুধ অনায়াসেই ঘুমের ওষুধের বিকল্প হতে পারে। অনেকেরই রাতের ঘুমে সমস্যা হয়। যারা রাতে ঠিক সময়ে ঘুমাতে পারছেন না বা বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করে সারা রাত কাটাচ্ছেন, তারা রাতে ঘুমানোর আগে হালকা গরম দুধ খেয়ে শুতে পারেন। দুধে আছে ট্রাইপটোফান ও এমিনো অ্যাসিড, যা শরীরে ঘুমের আবেশ সৃষ্টি করে। এ ছাড়াও দুধের ক্যালসিয়াম মস্তিষ্কে ট্রাইপটোফান ব্যবহারে সহায়তা করে। এক গ্লাস দুধ খেলে আপনার মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায় এবং শরীর কিছুটা হলেও শিথিল হয়ে আসে। ফলে ঘুম সহজেই চলে আসে।

মধু

মস্তিষ্কে ওরেক্সিন নামের একটি নিউরোট্রান্সমিটার আছে যা মতিষ্ককে সচল রেখে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। রাতে ঘুমানোর আগে মধু খেলে মস্তিষ্কে গ্লুকোজ প্রবেশ করে এবং ওরেক্সিন উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কিছুক্ষণের জন্য, যা আপনাকে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করবে।

আলু

সেদ্ধ আলু বা রান্না করা আলু আপনার রাতের ঘুমের সহায়ক একটি খাবার হতে পারে। আলু খেলে ট্রাইপটোফানের সাহায্যে হাই তোলায় ব্যাঘাত সৃষ্টিকারী এসিড নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আপনার মস্তিষ্ক বেশ দ্রুতই আপনাকে ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করতে পারে।

ওটমিল

যারা ওজন সমস্যায় থাকেন তারা অনেকেই ওটমিল খেয়ে থাকেন। ওটমিলে আছে ঘুমে সহায়ক মেলাটোনিন। তাই রাতের খাবার হিসেবে ওটমিল খেলে একদিকে আপনার ওজনটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে, অন্য দিকে আপনার রাতের ঘুমটাও ভাল হবে।

বাদাম

রাতের ঘুমের জন্য আরেকটি উপকারী খাবার হলো বাদাম। যাদের রাতে ঘুমাতে সমস্যা হয় তারা প্রতিদিন রাতের খাবারে ১০/১২ টি বাদাম খেলে রাতের ঘুম ভাল হবে।

সূত্র : জি নিউজ।








Leave a reply