হার্ট অ্যাটাকথেকে মুক্তি পায়ার সঠিক উপায়টি জেনে নিন

|

হার্টের মারাত্মক রোগের মধ্যে রয়েছে ‘ হার্ট অ্যাটাক ‘ এবং ‘ কার্ডিয়াক রেস্ট ‘। হার্ট অ্যাটাকের সময় বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে, কিন্তু কার্ডিয়াক বিশ্রামের সময় সম্ভাবনা খুবই কম থাকে। রোগী সময়মতো চিকিৎসা না পেলে রোগীর মৃত্যু হয়। অনেক সময় সুযোগ-সুবিধা না থাকায় সময়মতো চিকিৎসা পাওয়া যায় না। জরুরি অবস্থার সময় কার্ডিয়াক রেস্ট-এর শিকার রোগীকে সময়মতো সিপিআর দিলে বাঁচানো যায়। আসলে কার্ডিয়াক রেস্ট হল, একটি মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি কন্ডিশনার যার জেরে হঠাৎ করে হৃদযন্ত্র কাজ করা বন্ধ করে দেয়। কাছাকাছি দাঁড়িয়ে থাকা কোনও ব্যক্তি যদি অ্যাম্বুল্যান্স আসার আগে রোগীকে সিপিআর দেয়, তা হলে রোগীর প্রাণ বাঁচানো যাবে ।

সিপিআর হল রোগীকে কৃত্রিম পদ্ধতিতে অক্সিজেন দেওয়া। ডাক্তাররা জানাচ্ছেন, কার্ডিয়াক বিশ্রামের সময়ে সিপিআর রোগী পালানোর সম্ভাবনা বাড়ায়, কারণ মস্তিষ্ক ৩ মিনিটের জন্য অক্সিজেন পায় না, ফলে মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে দেয়। হৃৎপিণ্ডের গতি হঠাৎই থেমে যায় কার্ডিয়াক রেস্টএ।

সিপিআর যখন প্রয়োজন হয়: হার্ট অ্যাটাক ও কার্ডিয়াক রেস্ট দুটোই বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে থাকে । তবে হার্ট অ্যাটাকের পরেই বা সেরে ওঠার পরেই কার্ডিয়াক রেস্ট হতে পারে। কার্ডিয়াক বিশ্রামের আগে কোনও উপসর্গ না থাকলেও, এটি একটি চিকিৎসা জরুরি, তবুও এই সমস্যা থাকলে সিপিআর- দিলে সঙ্গে সঙ্গে তা বাঁচানোর সম্ভাবনা বাড়তে পারে। যদি কোনও ব্যক্তি হঠাৎ পড়ে গিয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞান হয়ে যায় , তা হলে হৃদযন্ত্রের কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যায় এবং শরীরের কোনও সাড়া শব্দ থাকে না, সে জন্য সিপিআর দেওয়া উচিত । ডাক্তাররা জানিয়েছেন, হার্ট অ্যাটাকের সময় বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশের বেশি, অথচ কার্ডিয়াক বিশ্রামে তা খুবই কম ।

মহিলাদের মধ্যে পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার পর হৃদরোগের সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়। ড.. নীলেশ গৌতম উল্লেখ করেছেন, পিরিয়ড চলাকালীন ওরি থেকে ওঠা ইস্ট্রোজেন হরমোন মহিলাদের হার্টের রোগ থেকে রক্ষা করে ।
কার্ডিওলজিস্ট ডঃ অনিল শর্মা বলেন, সিপিআর খুব সহজ ভাবে আর যে কেউ করতে পারে।
রোগীকে খুব ফ্ল্যাট ও কঠিন জায়গায় রাখুন
১ মিনিটের মধ্যে ৬০ বার রোগীর বুক চাপার চেষ্টা করুন
এর মাঝে তার নাক এবং তার মুখে দ্রুত আঘাত করুন।আপনাকে বুকে দ্রুত চাপ দিতে হবে ।
বুকে এত দ্রুত চাপুন যে, প্রতিবার বুক চিরে প্রায় দেড় ইঞ্চি নিচে চলে যায়।








Leave a reply