সুগার-কোলেস্টেরল থাকলেএই খাবার গুলো খাবেন না

|

আধুনিক জীবনযাত্রা, খাদ্যাভ্যাস এ সবের হাত ধরে মাঝ বয়সেই নানা ক্রনিক অসুখের শিকার হতে হয় অনেক এরই। সুগার, কোলেস্টেরলের ভয়ে অনেকেই মাটির নীচের সবজিতে রাশ টানেন একটা বয়সের পর থেকেই। শীতের নানা মৌসুমী সবজির নানা উপকার জানা সত্ত্বেও এ সব সবজি কে খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছেন অনেকেই।

বিট, গাজর, লাল আলু, শালগম ইত্যাদিতে খনিজ, ফাইবার, ভিটামিন ইত্যাদি বেশি মাত্রায় আছে। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ এই সব সবজির অনেক গুণাগুণও রয়েছে। অহেতুক ভয়ে বা না জেনেই সে সব খাওয়া বন্ধ করে দিচ্ছেন না তো?

আমাদের স্বভাব, অসুখ ধরা পড়লেই চার পাশের মানুষের কথায় বা নিজে নিজে বানিয়ে নেওয়া অবৈজ্ঞানিক ডায়েটের কোপে বাদ দিয়ে ফেলছি অনেক সবজি। আদৌ সে সব বাদ দেওয়ার কোনও যুক্তি আছে কি? কী বলছেন চিকিৎসকরা?

মাটির নীচের সবজি মানেই একটা বয়সের পর তা ডায়েট থেকে বাদ দিতে হবে, এমনটা মনে করেন না ভারতের এন্ডেক্রিনোলজিস্ট সতীনাথ মুখোপাধ্যায়। তার মতে, ডায়বেটিস হলেই আলু, গাজর, কচু, বিট বাদ দিয়ে দেন অনেকেই। আধুনিক চিকিৎসাশাস্ত্র কখনওই সে সবে অনুমোদন দেয় না। বরং শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার দাবি মেটাতে এ সব সবজিতে ভরসা করতে হয়। তাই আলু-গাজর এ সব খাওয়া যায় ডায়াবিটিসেও, কিন্তু তা অবশ্যই ডায়েটেশিয়ান বা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে।

আর এক ডায়াবিটিস বিশেষজ্ঞ সমীর দাশগুপ্তও সুগার, কোলেস্টেরলের চাপে মাটির নীচের সবজিতে না বলার পক্ষপাতী নন। ‘শালগম, মুলা, পিঁয়াজ, রসুন ও আদায় কিন্তু শর্করার পরিমাণ কম। অথচ এরা প্রত্যেকেই মাটির তলার সবজি। কাজেই মাটির তলার সবজি মানেই যে তা বিপজ্জনক তা নয়।’

তবে যাদের সুগারের মাত্রা বেশি, তারা কি এ সব সবজি একেবারে বাদ দেবেন?

চিকিৎসকদের মতে, সবজি সেদ্ধ করে সেই জল ফেলে দিলে তার মধ্যেই অতিরিক্ত শর্করার বেশ কিছুটা বেরিয়ে যায়। সেই সবজি খেলে ভয় আর থাকে না। মাটির তলার বেশ কিছু সবজি অ্যান্টিইনফ্লেমটরি ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হওয়ায় তা উল্টে শর্করা প্রতিরোধ করতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে ও সিদ্ধ করে এ সব সবজি খেলে ক্রনিক অসুখের ভয় তেমন থাকে না।








Leave a reply