শুকনো লঙ্কাকে আজই বর্জন করুন কারন জেনে নিন

|

‘ঝাল লেগেছে আমার ঝাল লেগেছে’ ঝাল লাগে লাগুক কিন্তু তাই বলে শুকনো লঙ্কার ঝাল নয়। কেন? এটা কখনও ভেবেছেন কি রোজ এই শুকনো লঙ্কা দেওয়া রান্না, আপনাকে ঠেলে দিতে পারে মৃত্যুর দিকে? হ্যাঁ রোজ শুকনো লঙ্কা এমনই ক্ষতি করে শরীরের। এটিই অম্বল, গ্যাস, গ্যাসট্রিক আলসার থেকে কোষ্ঠকাঠিন্য সব কিছুর জন্য দায়ী।

মুখের সমস্যাঃ আমাদের জিভে কিছু স্বাদকোরক থাকে সেগুলির দ্বারাই আমরা স্বাদগ্রহণ করতে পারি। কিন্তু অতিরিক্ত শুকনো লঙ্কা এই স্বাদকোরক গুলিকে নষ্ট করে দিতে পারে। তার ফলে জিভের স্বাদ গ্রহনের ক্ষমতা চলে যেতে পারে। এবং মুখে ঘা হয়। তাই খুব বেশি শুকনো লঙ্কা না খাওয়াই ভালো।

বদহজমঃ এখন প্রচুর মানুষ বদহজমের সমস্যায় ভোগেন। আর ডাক্তারের কাছে ছুটে যান। কিন্তু যদি বাড়ির শুকনো লঙ্কাকে বর্জন না করেন তাহলে ওষুধ খেয়েও কোন লাভ হবে না। অতিরিক্ত তেল শুকনো লঙ্কা দেওয়া রান্না শরীরে জন্য খুবই ক্ষতিকারক। এতে হজম করার শক্তি আস্তে আস্তে চলে যায়। যা থেকে শুরু হয় গ্যাস, অম্বলের সমস্যা। যার মারাত্মক রূপ হল গ্যাসটিক আলসার। আস্তে আস্তে এমন হয় যার ফলে জল খেলেও চোঁয়া ঢেঁকুর ওঠে। তখন কিছুই হজম হয়না। এটি হজম প্রক্রিয়াকে ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়। তার ফলে জন্ডিস, আলসারের মত নানা সমস্যা দেখা যায়।

হাঁপানিঃ যাদের হাঁপানির সমস্যা আছে তাদের শুকনো লঙ্কা, বিশেষত লঙ্কা গুড়ো খুবই খারাপ তাদের জন্য। এতে হাঁপানির সমস্যা বেড়ে যায়। শুকনো লঙ্কা হাতে নিলেই সমস্যা হতে পারে। শুকনো লঙ্কার ঝাঁঝ নাকে গেলেই হাঁপানির সমস্যা হতে পারে। অনেকের আবার অ্যালার্জিও থাকে। শুকনো লঙ্কা বা লঙ্কা গুড়ো হাতে নিলেই খুব হাঁচি হয়। তাই যাদের অ্যালার্জি বাঁ হাঁপানির সমস্যা আছে, তাদের শুকনো লঙ্কা ব্যবহার না করাই ভালো।

এক্সিডেন্টঃ সতর্ক ভাবে রান্না না করা হলে যদি একবার চোখে উড়ে চলে যায় শুকনো লঙ্কার গুড়ো, তাহলে সেটি খুবই কষ্ট কর।বা হাতে করে শুকনো লঙ্কা দিয়ে রান্না করলে সেটি ভুল বশত চোখে দিলে, চোখ প্রচণ্ড জ্বালা করে, চোখ দিয়ে জল পরে ও লাল হয়ে ফুলে যায়। তাই রান্না করার সময় সতর্ক থাকুন। ও গ্লাভস ব্যবহার করুন।

তাহলে দেখলেনতো রোজ রান্নায় শুকনো লঙ্কা মুখের নানান সমস্যা , গ্যাস, জন্ডিস, আলসার থেকে শুরু করে আপনাকে ঠেলে দিতে পারে হাঁপানির মত দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার দিকে। তাই রান্নায় যতটা সম্ভব শুকনো লঙ্কা, লঙ্কা গুড়ো কম ব্যবহার করাই ভালো।








Leave a reply