শীতে হাত-পায়ের ফোলাভাব দূর করতে, এই ঘরোয়া প্রতিকারগুলি অনুসরণ করুন

|

শীত আবহাওয়ায় অনেকের হাত-পা ফোলা সমস্যা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে এই সমস্যাটিকে চিলব্লেন বলা হয়। ঠাণ্ডায় খালি পায়ে হাঁটা বা হঠাৎ তাপমাত্রায় পরিবর্তনের ফলে এটি ঘটে। এটি ফোলার পাশাপাশি চুলকানিও হতে পারে। কখনও এটি চুলকানির কারণে পায়ের অংশে ঘা হতে পারে। এটি একটি সংযোজক টিস্যু রোগ। শিশু এবং প্রবীণরা এই সমস্যায় বেশি ঝুঁকছেন। তবে কিছু সহজ ব্যবস্থার মাধ্যমে এ সমস্যা এড়ানো যায়। আপনি যদি শীতের মৌসুমে এই সমস্যার মুখোমুখি হন তবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে যা আপনি অনুসরণ করতে পারেন। প্রতিকারগুলো সম্পর্কে জেনে নিন-

লবণের ব্যবহার
শীতে হাত ও পায়ে ফোলাভাব এবং জ্বলন দূর করতে গরম পানিতে রক লবণ যুক্ত করুন। এটি ১০-১৫ মিনিটের জন্য পায়ে রাখুন। জলের উত্তাপ ব্যথা দূর করবে। শিলা নুন শরীরে ম্যাগনেসিয়াম পূরণ করবে। এই প্রক্রিয়াটি দিনে একবার করুন।

মোমবাতি এবং সরিষার তেল
ঠান্ডায় হাত ও পায়ে ফোলা সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে মোমবাতি এবং সরিষার তেলের মিশ্রণ খুব উপকারী। একটি বাটিতে সরিষার তেল গরম করে তার মধ্যে একটি মোমবাতি রাখুন। মোমবাতি সম্পূর্ণ গলে যাওয়া পর্যন্ত এটি রান্না করুন। এবার এটি ঠান্ডা করে ফোলা জায়গায় লাগান। হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন। ২-৩ বার এটি প্রয়োগ করলে স্বস্তি পাওয়া যাবে।

গরম তেল দিয়ে একটি ম্যাসাজ করা
বাটিতে সামান্য জলপাই বা নারকেল তেল নিন। একটি কড়াইতে রাখুন এবং গরম করুন। এই তেল পায়ে ম্যাসাজ করুন। কয়েক মিনিটের জন্য হালকা করে হাতে দিয়ে ম্যাসাজ করুন। এটি আক্রান্ত শিরাগুলিতে রক্ত সঞ্চালনে করতে করবে এবং ব্যথা দূর করবে। এটি দিনে ২-৩ বার এভাবে ম্যাসাজ করুন। মনে রাখবেন যে ম্যাসেজের সময় ঘরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে হবে। এসি বা ঠান্ডা পরিবেশে ম্যাসেজ করবেন না।

  • যদি সকালে এবং সন্ধ্যায় জলে কাজ করা প্রয়োজন হয় তবে গরম জল ব্যবহার করুন।
  • বাইরে বেরোনোর সময় হাতে গ্লোভস পরুন এবং পায়ে ন্যড করুন।
  • পশমী এবং সুতির কাপড় যতদূর সম্ভব পরা উচিত।
  • বেশি শীতে তুলার তুলনায় উলের মোজা এবং গ্লাভস ব্যবহার করুন। কম শীতে সুতির পোশাক পরুন।
  • তাৎক্ষণিকভাবে একজন চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা উচিত।








Leave a reply