শিশুদের ভিভিন্ন রোগে মুক্তাঝুরির গুনাগুন ও ব্যাবহার

|

আমাদের দেশে গ্রামের মাঠে ঘাটে কিংবা রাস্তার ধারে মুক্তাঝুরি গাছ বেশ চোখে পড়ে। এ গাছের আর একটি নাম বিড়াল কান্দুনী গাছ।অনেক প্রাচীনকাল থেকেই শিশুদের বিভিন্ন রোগে মুক্তাঝুরি গাছের ব্যবহার প্রচলিত হয়ে আসছে।শিশুদের বিভিন্ন রোগে মুক্তাঝুরি গাছের ব্যবহার:

সামান্য বিষ ক্রিয়ায়ঃএই মুক্ত ঝুরির কয়েক টা পাতা ডলে বা বেটে রস লাগালে বিছের কামড়ে অথবা সামান্য বিষ ক্রিয়ায় যে জ্বালা যন্ত্রণা হয় তা কমে যায়।

শিশু-দের মাথার খুসকি, চাপড়া ঘা, দাদ বা রিংওয়ার্মঃ১০-১২ টা পাতা ও এক গিঁট কাঁচা হলুদ এক সাথে বেটে খুব পাতলা করে শিশু দের মাথায় লাগালে মাথার খুসকি, চাপড়া ঘা, দাদ এসব সেরে যায়। তবে শিশু দের সর্দি থাকলে এটা লাগানো যাবেনা।

শিশু দের অনিয়মিত মল ত্যাগঃ শিশু দের অনেক সময় ২-৩ দিন অথবা তার থেকেও বেশিদিন পর পর মলত্যাগ করে,এ কারনে প্রচন্ড পেটে ব্যাথা হয়। এ অবস্থায় মুক্তোঝুরির পাতা বেটে একটু পুরনো ঘি মিশিয়ে পানের বোঁটার মুখে লাগিয়ে মলদ্বারে একটু ঢুকালে কিছুক্ষনের মধ্যে শিশুর পেট পরিস্কার হয়ে যায়। এছাড়া এর শেকড় ২ গ্রাম পরিমাণ নিয়ে তা ৫-৬ চা-চামচ পানিতে বেটে তা ন্যাকড়ায় ছেঁকে দু-চার বছর বয়সের শিশু-দের খাওয়ালে তাদের কোষ্ঠকাঠিন্য চলে যায়, পায়খানা পরিস্কার হয়ে যায়।

শিশুদের সর্দিঃমুক্তোঝুরির গাছ ও পাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে ২ গ্রাম পরিমাণ গুঁড়ো সিকি কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ৩-৪ চামচে কমিয়ে এনে ছেঁকে অল্প চিনি দিয়ে শিশুদের খেতে দিলে বুকে বসে যাওয়া সর্দি উঠে যায়।

অন্যান্যঃ এর পাতার রস তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মালিশ করলে বাতের ব্যথার উপশম হয়।মুক্তাঝুরির পাতার রস পান করলে বমি উদ্রেক হয় আগুনে শরীরর কোন অংশ পুড়ে গেলে মুক্তাঝুরির পাতার ক্বাথ লাগালে জ্বালা-যন্ত্রণা কমে।শুকনো পাতার গুড়ো কৃমিনাশক ঔষধ হিসেবে খুবই কার্যকারী।








Leave a reply