শরীরের ক্লান্তি দূর করবে ৯ খাবার

|

শারীরিক ও মানসিক চাপের কারণে শরীরে ক্লান্তি আসে। কম ঘুম ও অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কারণেও ক্লান্তির সমস্যা সৃষ্টি করে। আর মানুষ যখন শরীরে ক্লান্ত অনুভব করে তখন পেশীতে ব্যাথা, প্রেরণার অভাব, মনোযোগের সমস্যা, ক্ষুধামন্দা প্রভৃতি সমস্যা দেখা দেয়। যা আপনার কাজের ব্যঘাত ঘটায়।

তাই দ্রুত ক্লান্তি থেকে মুক্তি পেতে খেতে পারেন প্রাকৃতিক কিছু খাবার। যা ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

মধু

মধুতে গুকোজ ও ফ্রুকটোজ আছে যা শরীরে শক্তি যোগায় এবং ক্লান্তি দূর করে। এর অন্যান্য উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ডার্ক চকোলেট

চকোলেট দ্রুত শক্তি বাড়ায় এবং মেজাজ ভালো করে। এর মধ্যে রয়েছে থিব্রোমিন ও ট্রিপটোফেন। মস্তিষ্কে ভালো অনুভূতির হরমোন তৈরির মাধ্যমে এটি মনকে শিথিল করতে সাহায্য করে।

দই

দই এ প্রচুর মাত্রায় প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেট থাকে যা এনার্জির ঘাটতি দূর করার সবচেয়ে জরুরি উপাদান। তাই প্রতিদিন ১ কাপ দই খান। ক্লান্তি আসবে না শরীরে।

পানি

ক্লান্ত লাগলে পানি পান করুন। পানি শরীরকে কর্মক্ষম রাখে। পানি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে খাদ্য উপাদান পরিবহন করে। শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলে ভারসাম্যহীনতা ও দুর্বলতা দেখা দেয়। তাই সুস্থতার জন্য পানি একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।

চা বা কফি

শরীরকে চাঙা করতে ক্যাফেইনসমৃদ্ধ পানীয় (যেমন: চা বা কফি) বিশেষ সহায়ক। এটি হৃৎযন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়, শ্বাস-প্রশ্বাসের হার বাড়ায় এবং শরীরকে উদ্দীপ্ত রাখে। তবে চা বা কফি বেশি পান করলে রাত্রে নিদ্রাহীনতা দেখা দিতে পারে।

বাদাম

ক্লান্তি লাগলে এক মুঠো বাদাম খাওয়া দ্রুত শক্তি জোগাতে ভালোভাবে কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, আঁশ, ভালো চর্বি, মিনারেল (যেমন : ম্যাগনেসিয়াম , ফোলেট) ইত্যাদি। শক্তি বাড়াতে এবং কোষ তৈরিতে বাদাম বেশ উপাকারী।

ডিম

ডিম এর মধ্যে রয়েছে প্রোটিন এবং প্রয়োজনীয় এমাইনো এসিড। এ ছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন ডি। এটি শক্তি বাড়াতে সহায়ক। ক্লান্তি দূর করতে ডিম খেতে পারেন।

ওটমিল

ওটমিলে কার্বোহাইড্রেট ছাড়াও প্রোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং ভিটামিন বি ১-এর মতো উপাদান থাকে যা শরীরের এনার্জির ঘাটতি হতে দেয় না। তাই সকালের নাস্তায় ওটমিলের সঙ্গে ফল মিশিয়ে খেয়ে নিন। এনার্জি পাবেন দিনভর।

কলা

প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম পাওয়া যায় কলায়। পটাসিয়াম শর্করাকে ভেঙে এনার্জির যোগান ঠিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। পাশাপাশি কলায় থাকা ভিটামিন বি, সি, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার এবং কার্বোহাইড্রেট দেহে পুষ্টির ঘাটতি হতে দেয় না। প্রতিদিন সকালে একটি কলা খাওয়ার চেষ্টা করুন।








Leave a reply