রসগোল্লার বহুমাত্রিক গুণ

|

মিষ্টির একটি জনপ্রিয় প্রকারভেদ হচ্ছে রসগোল্লা। এটি খেতে ভালোবাসে না এমন মানুষ পাওয়া কঠিনই হবে। খেতে ভালো লাগে বলেই হয়তো আমরা এটি খেতে ভালোবাসি। তবে রসগোল্লার যে নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত গুণ রয়েছে তা হয়তো আমাদের অনেকেরই অজানা। নিচে রসগোল্লার তেমনই ১০টি গুণ নিয়ে আলোচনা করা হলো :

দাঁত ও হাড়ের যত্নে : রসগোল্লা ছানা দিয়ে তৈরি হওয়ায় রসগোল্লায় প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস থাকায় হাড় ও দাঁত সুস্থ থাকে। হাড় বা দাঁতের ক্ষত রোধ করতে পারে রসগোল্লা। অস্টিওপরেসিস বা গাঁটের ব্যথাতেও উপকারী গরম রসগোল্লা।

ইনস্ট্যান্ট শক্তি সরবরাহ করে : দেহের প্রয়োজনীয় ক্যালোরি মিটিয়ে ইন্সট্যান্ট এনার্জি জোগাতে পারে রসগোল্লা। সারা দিনের খাটুনির পর বা ওয়ার্কআউটের পর গরম রসগোল্লা খান।

যন্ত্রণা উপশম : ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড গাঁট ও বাতের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। ভিটামিন কে ও ম্যাগনেশিয়াম হাড়ের ঘনত্ব ধরে রাখে।

দাঁতের ক্যাভিটি : রসগোল্লায় ল্যাকটোসের পরিমাণ কম থাকায় দাঁত ক্ষতিকারক সুগারের হাত থেকে রক্ষা পায়। ভিটামিন ডি ক্যাভিটি রোধ করতে সাহায্য করে।

ওজন : রসগোল্লা হাই প্রোটিন ডায়েট। মোনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট ওজন কমাতে সাহায্য করে। রসগোল্লার মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ডায়েটারি ফাইবার থাকার কারণে হজম ভালো হয়। ফলে ওজন থাকে নিয়ন্ত্রণে।

ক্যানসার : উচ্চমাত্রায় ও উচ্চমানের প্রোটিন থাকার কারণে পেট, ব্রেস্ট, প্রস্টেট বা কোলন ক্যান্সার রুখতে পারে রসগোল্লা।

হৃদযন্ত্রের যত্ন : ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকার কারণে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হার্টের অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।

ইউরিনারি : রসগোল্লা ইউরিনারি সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বজায় রাখে। ফলে কিনডিতে সহজে পাথর হয় না।

রোগ প্রতিরোধ : রসগোল্লা রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধরে রাখে। সর্দি, কাশি, ব্রঙ্কিয়াল অ্যাস্থমা সারাতে উপকারী রসগোল্লা।

শিশুদের জন্যও উপকারি : রসগোল্লা পুষ্টিগুণে ভরপুর। শিশুদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জুগিয়ে শারীরিক ও মানসিক গঠনে সাহায্য করে গরম রসগোল্লা। সূত্র : আনন্দবাজার








Leave a reply