যেসব কারণে মূলত ডিভোর্স হয়

|

ব্যস্ততা যত বাড়ছে, জীবন যত আধুনিক হচ্ছে, ততই বাড়ছে ডিভোর্স, সম্পর্ক ভাঙার প্রবণতা। কেন দূরত্ব বাড়ছে? সুন্দর সম্পর্কগুলোর ঘটছে চরম পরিণতি? ভারতীয় আইনজীবীরা ডিভোর্সের যে ৭ প্রধান কারণ জানালেন।

কমিউনিকেশন: যে কোনও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার মূলমন্ত্র কমিউনিকেশন। এটাই একে অপরের অনুভূতির যোগসূত্র। কমিউনিকেশন গ্যাপ তৈরি হলে সেই সম্পর্ক ভিতরে ভিতরে মরে যেতে থাকে।   

নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা: অনেকেই মনে করেন স্বামী বা স্ত্রী তাঁর অধিকারের জায়গা। তাঁদের জীবনের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখা উচিত। এই মনোভাবের জেরে অন্য জন ক্রমশ দূরে সরে যেতে থাকে। বিরক্তি থেকে বাড়তে থাকে অস্বচ্ছতাও।

নেশা: ধূমপান, অ্যালকোহলের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি, নেশা অবসাদ ডেকে আনে। যার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পরিবার। নেশাগ্রস্ত স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে কেউই সংসার করতে চান না। পরিণতি ডেকে আনে ডিভোর্স।   

আর্থিক সমস্যা: সারা জীবন আর্থিক অবস্থা এক থাকে না। বিবাহিত জীবনে উত্থান-পতনের সঙ্গে মানিয়ে নিতেই হয়। আগেই আর্থিক বিষয় আলোচনা করে নেওয়া উচিত। না হলে অনেক সময়ই আর্থিক অনটন, অস্বচ্ছতা বিচ্ছেদ ডেকে আনতে পারে।  

অমিল: অপোজিটস অ্যাট্রাক্ট। প্রেমে পড়ার জন্য এই কথাটা যতটা সত্যি, প্রেম টিকিয়ে রাখার জন্য ততটা কিন্তু নয়। সম্পর্কের শুরুর দিকে নিজের সঙ্গে না মিললেও অপরের পছন্দ আমাদের আকর্ষণ করে। কিন্তু দীর্ঘ সময় তাল রাখা যায় না। তখনই বাড়তে থাকে অশান্তি। যা ডিভোর্সের কারণ হতে পারে।

সেন্স অব সেপারেশন: বিবাহিত জীবনে অনেক রকম অনুভূতি কাজ করে। কখনও আমরা একাত্ম অনুভব করি, কখনও দূরত্ব। এই সব পোলারাইজিং ইমোশন ঘুরে ফিরে আসে। ক্রমাগত দূরে সরে যাওয়ার অনুভূতি সেন্স অব সেপারেশন তৈরি করে।

কাজ: ‘ফ্যামিলি কামস ফার্স্ট’। ব্যক্তিগত জীবন সুন্দর করার মূলমন্ত্র এটাই। একজন পার্টনারের পেশাগত জীবনকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া, কর্মক্ষেত্রে বেশিক্ষণ সময় দেওয়ায় অন্যজন একাকিত্বে ভুগতে থাকেন। বাড়তে থাকে দূরত্ব। এর থেকেই হতে পারে বিচ্ছেদ।








Leave a reply