মুলার ঔষধী গুনাগুন সম্পর্কে জেনে নিন-

|

পেট এবং যকৃতের অনেক রোগের জন্য মূলা খুব উপকারী। আয়ুর্বেদে মুলা পেট এবং যকৃতের জন্য সেরা প্রাকৃতিক পরিশোধক হিসাবে বিবেচিত। আজ অর্ধেকেরও বেশি মানুষ পেটের সমস্যায় ভুগছেন। এই সব লোকেরা যদি প্রতিদিন মুলা খান তবে তাদের পেট সর্বদা ভাল থাকবে। মুলায় অ্যান্থোসায়ানিন রয়েছে, যা আমাদের অনেক রোগ থেকে দূরে রাখে। মূলা খাওয়া আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।

মূলা এর উপকারিতা

মূলায় অনেক পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে যা শরীরের জন্য উপকারী। ১০০ গ্রাম মুলাতে ১৮ গ্রাম ক্যালোরি, চর্বি ০.১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার ১.৬ গ্রাম, চিনি ২.৫ গ্রাম, প্রোটিনের ৪.১% গ্রাম, ভিটামিন সি এর ৩৬%, ক্যালসিয়ামের ২%, আয়রনের ২%, ম্যাগনেসিয়ামের ৪% থাকে।

শরীরের ময়লা বের করুন
মুলা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভাল। এটি শরীর থেকে টক্সিন অপসারণ করে। এ কারণে একে বলা হয় প্রাকৃতিক ক্লিঞ্জার। মুলায় প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে। হজম ব্যবস্থা সঠিক থাকে। পেটের রোগগুলিতে আপনি মুলার রসের সাথে আদা রস এবং লেবুর মিশ্রণ পান করলে ক্ষুধা বাড়ে।

মূলা হজম হিসাবে কাজ করে
মূলা পেটের জন্য খুব উপকারী। মূলা হজমের মতো কাজ করে। পেটের অনেক রোগে মূলার রস খুব উপকারী। পেটে সমস্যা অনুভব করলে মুলার রস নুনের সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। তাজা মূলা খেলে হজমের শক্তি বাড়ে।

লিভারও সুবিধা পান
মূলা খাওয়ার ফলে লিভারের কার্যকারিতা উন্নত হয়। লিভারের সমস্যা হলে মুলা নিয়মিত খাওয়া উচিত। এছাড়াও জন্ডিসেও তাজা মূলা ব্যবহার খুব উপকারী। প্রতিদিন সকালে একটি করে কাঁচা মূলা খেয়ে কিছু দিনের মধ্যে জন্ডিস নিরাময় করা সম্ভব।

বাড়িতে মুলা উপকারী
মূলাতে অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। মুলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে, যা শরীরের সোডিয়াম-পটাসিয়াম অনুপাতকে ভারসাম্যহীন করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।








Leave a reply