ব্ল্যাকহেডস দূর করার কয়েকটি কার্যকরী ঘরোয়া পদ্ধতি জেনে নিন

|

ব্ল্যাকহেডস এক ধরনের ব্রন যার ওপর কোন পর্দা থাকে না। যা বাতাসের সঙ্গে অক্সিডায়েস হয়ে কালো বর্ণ ধারণ করে। মূলত মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার না করলে ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহারের কারণেও ব্ল্যাকহেডস হতে পারে। ধুলোবালু ও ত্বকের মৃত কোষ জমে লোমকূপ বন্ধ হয়েও এ সমস্যা হয়ে থাকে।

প্রথমে অনেকেই এই হালকা কালো ছোপ ছোপ দাগকে গুরুত্ব দেয় না। শুরুর দিকে ব্ল্যাকহেডসের ছিদ্র কম থাকে। সময় মতো যত্ন না নিলে এই দাগ সারা মুখে ছড়িয়ে যায়।

ব্ল্যাকহেডস এমন এক সমস্যা যা মেকআপেও ঢাকা যায় না। স্যালো বা পার্লারে নিয়মমাফিক পরিচর্যার পর আবারও মাথাচাড়া দেয় এই সমস্যা। সারামাসের উপদ্রবকে নিশ্চিন্তে সরাতে তাই কেবলই পার্লারের উপর ভরসা রাখা যাবে না। বরং ব্ল্যাকহেডসকে জব্দ করতে বাড়িতেই ব্যবস্থা রাখতে পারলে ভাল হয়।

কেবল কালো ছোপে ত্বক খারাপ দেখায় তাই নয়, ব্ল্যাকহেডস জমতে জমতে ত্বকে স্থায়ী কালো দাগ তৈরি হয়ে যেতে পারে ত্বকে। যত বেশি ব্ল্যাকহেডস জমবে ততই ত্বক রুক্ষ হবে ও টান ধরবে।

তবে ঘরোয়া কয়েকটি উপায়ে ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এবার দেখে নিন-

অ্যালোভেরার জেল
ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করতে ও ত্বক রুক্ষ হয়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে বিশেষ কাজে আসে অ্যালোভেরা। বাজারের অ্যালোভেরায় ভরসা রাখতে না চাইলে বাড়িতেই অ্যালোভেরার গাছ লাগাতে পারেন। এর জেল মুখে বা ত্বকে মাখলে ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা অনেকটাই কম থাকবে।

গ্রিন টি
অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর এই উপাদান ত্বকের পক্ষেও খুব উপকারী। পানিতে গ্রিন টি মিশিয়ে তা দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন প্রতিদিন ঘুমনোর আগে। এতে ত্বকে বলিরেখা কমবে তার সঙ্গে দূর হবে ব্ল্যাকহেডসও।

ডিমের সাদা অংশ
তৈলাক্ত ত্বকে ময়লা আটকে থাকে সহজে। তাই ব্ল্যাকহেডসের সমস্যাও এই ধরনের ত্বকে বেশি হয়। ডিমের সাদা অংশ ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে ব্ল্যাকহেডসের জায়গায় মাখিয়ে রাখলে সমস্যা কমবে।

টমেটো
প্রাকৃতিক ট্যান নিরোধক হিসেবে টমেটোর নামযশ রয়েছে। প্রতিদিন রোদ থেকে ফিরে এক টুকরো টমেটো ব্ল্যাকহেডসের জায়গায় ঘষুন। রোদের ট্যান যেমন কমবে তেমনই কালচে দাগও সহজেই দূর হবে।








Leave a reply