ফ্রিজে অবশ্যই রাখবেন যে ৮ স্বাস্থ্যকর খাবার

|

ফ্রিজে রাখা খাবারই কিন্তু আপনার পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কে জানান দেয়। তাই ফ্রিজভর্তি জাঙ্ক ফুড থাকা মানে আপনি নিজের ভালো থাকা ও সুস্বাস্থ্য নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নন। পুষ্টিবিদ ও স্বাস্থ্যবিদদের মতে, চিপস কিংবা বার্গারের মতো খাবার বাদ দিয়ে খাদ্যতালিকায় কিছু সবজি, ফলমূল ও তরিতরকারি রাখা জরুরি। চলুন দেখে নেওয়া যাক, কোন কোন ফলগুলো আপনার ফ্রিজে থাকা উচিত।

আপনি যদি ফ্রিজে ক্ষুধাবর্ধক খাবার রাখেন, সেটিও আপনার জন্য বেশ উপকারী হবে। আর নিত্যপণ্য কিনতে গেলে তালিকায় পুষ্টিকর খাবার যোগ করতে কখনোই ভুলবেন না। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।

কাঁচা সবজি : খাদ্যতালিকায় রাখুন শসা, ধুন্দল ও গাজর। এসব কাঁচা সবজি আপনার অস্বাস্থ্যকর ওজন বৃদ্ধি ঠেকায়। এতে রয়েছে পটাশিয়াম, ডায়েটারি ফাইবার, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি। বেশিরভাগ সবজিতে ফ্যাটের মাত্রা খুবই কম ও কোনো কোলেস্টেরল নেই।

ফলের সালাদ : আপেল, আঙুর ও বেরির সালাদ আপনার স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। পরিমিত ফলে তৈরি খাবার আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে এবং কয়েক ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। এটি দৃষ্টিশক্তির জন্য উপকারী ও হজমশক্তি বাড়ায়। রক্তে চিনির পরিমাণ নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এটি।

সবুজ সালাদ : শাক বা লেটুসপাতা, কিছু চেরি টমেটো, মটরশুঁটি ও বাদাম দিয়ে তৈরি সালাদ কেবল আপনার কর্মশক্তি তাৎক্ষণিক বৃদ্ধি করবে না, এটি আপনার শরীরের জন্যও প্রয়োজনীয়। সবুজ সালাদে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, বেটা ক্যারোটিন, ক্যালসিয়াম, ফাইবার ও ফাইট্রোনিউট্রেন্টস রয়েছে, যা স্বাস্থ্যকর ডায়েটের জন্য উপকারী। কেননা এতে কোনো প্রকার কোলেস্টেরল থাকে না এবং ক্যালোরি ও সোডিয়ামের মাত্রা কম থাকে।

লো-ফ্যাট দুগ্ধজাত পণ্য : এটি ফ্যাট, প্রোটিন ও পুষ্টির বেশ ভালো উৎস। ননীযুক্ত দুধ, লো-ফ্যাট দধি ও পনির প্রোটিন, বিভিন্ন মিনারেল ও ভিটামিন বি-র দারুণ উৎস।

বাদামের মাখন : বাদামে রয়েছে উপকারী ফ্যাট। এতে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড কোলেস্টেরল কমাতে ও হজমপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এটি কয়েক ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি থেকেও রক্ষা করে।

সবুজ চা : ক্যালোরি কমানোর বেশ ভালো উপায় হতে পারে সবুজ চা পান করা। অন্যান্য ক্ষতিকারক পানীয়র পরিবর্তে এক কাপ সবুজ চা আপনার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লাম্যাটরি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখবে। পাশপাশি এটি হজমক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে ও ওজন কমাতে সাহায্য করে।

অর্গানিক ডিম : একটি অর্গানিক ডিমে সাত গ্রাম উচ্চমানসম্পন্ন প্রোটিন থাকে, যা আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিডের চাহিদা পূরণ করে। এতে রয়েছে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেলও বিদ্যমান।

প্ল্যান্ট বেইজড দুধ : এ ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের প্ল্যান্ট বেইজড দুধ আপনি ব্যবহার করতে পারেন, যেমন—বাদাম, চাল, সয়া সস ইত্যাদি। এই দুধ স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী।

তাই উপরে বর্ণিত খাবারগুলো ফ্রিজে এমন স্থানে রাখুন, যাতে খুব সহজেই আপনার চোখে পড়ে। পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করুন, সুস্থ থাকুন।








Leave a reply