নানা চেষ্টাতেও কমছে না ওজন, ভুল হচ্ছে কোথায়?

|

লকডাউনে একে তো ঘরে থাকা হচ্ছে, হাঁটাচলা বা দৌড়ানোও বন্ধ। এতে শরীরে যত্ন নিতেও হচ্ছে নানা অসুবিধা। তবে এর মধ্যেও যে নিয়মিত শরীরচর্চা ও খাদ্যাভ্যাস মেনে চলছেন অনেকে। ঘরে থেকে শরীরকে করে তুলছেন ঝরঝরে।আবার শত চেষ্টার পরেও অনেকের কমছে না ওজন। কেন এমন হতে পারে তা এক প্রতিবেদনে জানায় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

সারাদিনে কী খাচ্ছেন

দেখুন ওজন ঝরানো কোনও ম্যাজিক নয়। সহজ হিসা হল, সারা দিনে যত ক্যালোরি আপনার শরীরে আসছে, তার থেকে বেশি ঝরাতে হবে শরীর সুস্থ রেখে। অনেকেই সারা দিনে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কী খেলেন, তার হিসাব রাখেন না। এভাবে সব পরিশ্রম অথবা চেষ্টা বৃথা হয়ে যাবে। দরকারে ডায়েরিতে তারিখ দিয়ে লিখে রাখুন। কখনো রাতে কোনও পার্টি থাকলে দিনের বেলা সেই বুঝে কম ক্যালোরির খাবার খেতে পারবেন।

প্রোটিনের ঘাটতি হচ্ছে

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার আপনার মেটাবলিজম বা বিপাকের হার বাড়িয়ে দেয়। সারাদিনে আপনি প্রোটিন যত বেশি খাবেন, স্বাভাবিকভাবেই ক্যালোরিযুক্ত খাবারের পরিমাণ কমতে থাকবে। নানা সমীক্ষাতেও দেখা গিয়েছে যারা সকালের ব্রেকফাস্টে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান, তাদের সারাদিনে খিদে কম পায়।

প্রসেসড ফুড বেশি নয়

খাঁটি সিঙ্গল ইনগ্রেডিয়েন্টস দিয়ে তৈরি খাবার বেশি খান। ফ্রোজেন আইটেম আপনার শরীরের পক্ষে আসলে ভালো নয়।

কমাতে হবে চিনি খাওয়া

কোল্ড ড্রিঙ্ক, চিনি দেওয়া চা-কফি, শর্করা জাতীয় পানীয় খেলে ক্যালোরি বাড়তে বাধ্য। হাজার চেষ্টার পরেও কমবে না ওজন। পারলে দোকানের ফ্রুট জুস অথবা প্যাকেটের ফ্রুট জুস খাওয়াও বন্ধ করুন। সারা দিনের ক্যালোরি ইনটেক অনেকটা কমে যাবে এক ধাক্কায়।

পর্যাপ্ত ঘুম হতে হবে

ওজন ঝরানোর জন্য ৬ থেকে ৭ ঘন্টা গভীর ঘুমের দরকার। ঘুমের ব্যাঘাত কিন্তু ওবেসিটির অন্যতম কারণ।

কমাতে হবে কার্বোহাইড্রেট

অনেকেরই একটা ভুল ধারণা থাকে, কেবল ফ্যাট জাতীয় খাবারেই ফ্যাট থাকে। তা কিন্তু নয়, কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবারে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি থাকে। তাই অনেক চেষ্টার পরেও ওজন না কমলে একবার লো-কার্ব ডায়েট অনুসরণের চেষ্টা করুন।








Leave a reply