তেজ পাতার ঔষধী গুনাগুন সম্পর্কে জেনে নিন-

|

আমাদের বাড়ীতে সুগন্ধি এবং খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্য তেজ পাতা ব্যবহার করা হয়। এর অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। তেজ পাতা বিশেষত দক্ষিণ ভারতের বাড়িগুলিতে খাবারের সাথে ব্যবহৃত হয়। এটা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য বিভিন্ন উপায়ে উপকারী এবং তাই অবশ্যই এটি প্রতিদিনের খাবারের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা গুরুত্ত্বপূর্ন।


পুষ্টিতে ভরপুর
তেজ পাতাভিটামিন এ, বি, সি, অ্যামিনো অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, প্রোটিন, ফসফরাস এবং আয়রন সমৃদ্ধ। এটি আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়। তেজ পাতা রক্তচাপ, বদহজম, রক্তাল্পতা এবং ওজন বৃদ্ধির মতো সমস্যার কার্যকর প্রতিকার হিসাবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

ডায়াবেটিসে উপকারী
ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণের জন্য তেজ পাতা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তেজ পাতায় উপস্থিত ফাইবারগুলি ইনসুলিনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে যার ফলে রক্তে চিনির স্তর নিয়ন্ত্রণে থাকে।

রক্তাল্পতার ঝুঁকি হ্রাস করে
তেজ পাতায় পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন এবং ফলিক অ্যাসিড থাকে। এটি রক্তসল্পতার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে। এতে উপস্থিত ভিটামিন এ এবং সি স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী।

ডায়রিয়ার চিকিৎসা
তেজ পাতায় উপস্থিত কার্বাজোল অ্যালকালয়েডগুলি অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানগুলিতে সমৃদ্ধ যা পেটের সমস্যা এবং ডায়রিয়ার নিরাময়ে সহায়তা করে।

আঘাত এবং ব্যথা নিরাময়
শরীরে কোথাও আঘাত, কাটা, ক্ষত, ত্বকের জ্বালা থাকলে তেজ পাতা এ জাতীয় সমস্ত সমস্যায় খুব উপকারী হতে পারে। জল দিয়ে তেজ পাতাগুলির একটি পেস্ট তৈরি করুন এবং ত্বকের ক্ষতিগ্রস্থ স্থানে এই পেস্টটি প্রয়োগ করুন। এটি একটি এন্টিসেপটিক হিসাবে কাজ করবে।

দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়
তেজ পাতা ভিটামিন এ এবং ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ। এটা চোখকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি চোখের দৃষ্টি শক্তিশালী করে তোলে।

চুলের জন্য উপকারী
তেজ পাতায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা চুলের শিকড়কে ময়শ্চারাইজ করার পাশাপাশি শুষ্কতা থেকেও রক্ষা করে। এটি চুলকে খুশকি থেকে রক্ষা করে। এটিতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা চুলকে যে কোনও ধরনের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। এর জন্য চুলে তেজ পাতার পেস্ট লাগিয়ে ২০ থেকে ৩০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এই পেস্টের সাথে সরিষার তেল মিশিয়ে চুলে লাগান এবং এক ঘন্টা পরে ধুয়ে ফেলুন।








Leave a reply